গাজা উপকূলের কাছে ইসরাইলের একটি 'গুপ্তচর ডলফিন' আটকের দাবি করেছে ফিলিস্তিনের হামাস। খবর বিবিসির।

ফিলিস্তিনের আল কুদস পত্রিকাকে হামাস বলেছে, ডলফিনটির শরীরে দূর নিয়ন্ত্রিত ক্যামেরাসহ গায়েন্দা নজরদারিতে ব্যবহূত যন্ত্রপাতি পাওয়া গেছে।

এছাড়াও, ডলফিনটির শরীরে আরেকটি ডিভাইস পাওয়া গেছে যেটি থেকে হারপুন ছুড়ে মানুষ পর্যন্ত মেরে ফেলা সম্ভব।

হামাসের সামরিক শাখার নৌ-বাহিনীর একটি দল ডলফিনটির খোঁজ পেয়ে এটিকে তীরে নিয়ে আসে। এ ডলফিনের কোনো ছবি হামাস প্রকাশ করেনি বলে জানিয়েছে।

'দ্য জেরুজালেম পোস্ট' এর উদ্ধৃতি দিয়ে আরব সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, সন্দেহজনক গতিবিধির কারণে কয়েকদিন আগে ডলফিনটির দিকে হামাস কমান্ডোদের নজর পড়ার পর তারা এটিকে আটক করে।

হামাসের নৌ কমান্ডোদের তত্পরতা ও সাগরে তাদের প্রশিক্ষণের ওপর নজর রাখার জন্য প্রাণীটিকে ইসরাইল ব্যবহার করেছে বলে ধারণা করছে হামাস।

এ থেকে ইসরাইল পানির নিচে গোয়েন্দা তত্পরতা চালাচ্ছে, এটিই প্রতীয়মাণ হয় বলে হামাস দাবি করেছে। ইসরাইল এ গুপ্তচর ডলফিন ধরা পড়ার খবরে কোনো প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেনি।

গুপ্তচরবৃত্তিতে ইসরাইলের বিরুদ্ধে প্রাণী ব্যবহারের অভিযোগ এটিই নতুন নয়। এর আগেও গোয়েন্দাগিরির উপযোগী যন্ত্রপাতিসহ পাখি ফিলিস্তিনে ধরা পড়েছে।

ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের গুপ্তচরবৃত্তিতে ব্যবহূত সরঞ্জামসহ একটি ঈগল পাখি ২০১২ সালে আটক হয়। এ ছাড়া, লোহিত সাগরে মোসাদ নিয়ন্ত্রিত শার্ক পাওয়ার কথা বলেছিলেন মিশরের কর্মকর্তারা। জেআই