মিয়ানমারে বৈষম্যমূলক বিবাহ আইন পাস হয়েছে। বৌদ্ধ নারীদেরকে অন্য ধর্ম মতের কাউকে বিয়ের জন্য অনুমতি নিতে হবে-এমন শর্ত রেখে আইনটি পাস করা হয়েছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট এতে স্বাক্ষর করেছেন।
গত জুলাই মাসে দেশটির সংসদে বিতর্কিত এই বিলটি পাস করা হয়। সংখ্যালঘু ধর্ম মতের অনুসারীদের প্রতি এটা এক ধরনের বৈষম্য বলে সমালোচনা করা হয়। একই সঙ্গে এই বিলটি মানুষের মধ্যে মুসলিম বিরোধী মনোভাব জাগ্রত করবে।
বৌদ্ধ ধর্ম-প্রধান মিয়ানমার অন্য ধর্মমতের প্রতি সব সময় বিরুপ আচারণ করে আসছে। তারা অতি মাত্রায় সাম্প্রদায়িক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে।
দেশটির রাখাইন প্রদেশে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গা সম্প্রদায়কে সব ধরনের নাগরিক সুবিধা থেকেই বঞ্চিত করছে না, তাদেরকে সে দেশের নাগরিক হিসেবেও মেনে নিচ্ছে না।
মুসলিমদের বাড়ি-ঘর পুড়িয়ে দেয়া, জ্যান্ত মানুষকে পুড়ে ফেলা, জোর করে তাদেরকে পাচার করা থেকে শুরু করে পৃথিবীর সবচেয়ে জঘন্য আচারণ করা হচ্ছে।
জান্তা সরকার ও দেশের সাধারণ মানুষ এ বিষয় কোনো প্রতিবাদ করে না। উল্টো তারাই মুসলিমদের সম্পদ লুট করছে।
বৌদ্ধ ধর্ম মতে, 'জীব হত্যা মহাপাপ'। অথচ তারা অন্য ধর্ম মতের মানুষদেরকে জীবন্ত পুড়ে ফেলে। এতে দেশটির বৌদ্ধ ভিক্ষুরা (ধর্মীয় গুরু) মদদ দেন।
মিয়ানমারের গণতান্ত্রিক নেত্রী হিসেবে পরিচিত ও শান্তিতে নোবেল বিজয়ী অং সান সুকিও এ বিষয় নীরবতা অবলম্বন করছেন। মুসলিমদের ওপর চালানো নির্যাতনের বিরুদ্ধে তিনি কোনো মন্তব্যও করেননি।
জেডআই





