ভারতে গো-রক্ষার নামে যেভাবে হিংসার মাধ্যমে মৃত্যু পর্যন্ত সংগঠিত হচ্ছে তাকে অপরাধ বলে চিহ্নিত করেছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট।
আজ (মঙ্গলবার)দেশটির সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়ে দিয়েছে, গো-রক্ষার নামে গুন্ডামি বরদাস্ত করা হবে না। এর সঙ্গে কোনও ধর্মীয় যোগ টানা যাবে না বলেও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে দেশটির শীর্ষ আদালত।
গো-রক্ষা নিয়ে সংঘটিত হিংসার নিষ্পত্তি চেয়ে সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টে একটি আবেদন জমা করেছেন তুষার গান্ধী। এছাড়াও কংগ্রেস নেতা তেহসিন পুনাওয়ালাও এই একই মর্মে আবেদন পেশ করেছেন।
এ বিসয়ে আজ (০৩ জুলাই) শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্র দেশের জাতি ও ধর্মের নামে কোনো রকম হিংসা ছড়ানো যাবে না বলে সকলকে সতর্ক করেছেন।
শুনানিকালে প্রধান বিচারপতি বলেছেন, কোনো মানুষই নিজের হাতে আইন তুলে নিতে পারে না। রাজ্যগুলির উচিত এমন ঘটনা প্রতিরোধ করতে সক্রিয় হওয়া। গো-রক্ষার নামে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ঠেকাতে ২০১৭ সালে ভারতের ২৯টি রাজ্য ও ৭টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে কড়া পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট।
এমনকি, গো-রক্ষক বাহিনীর কার্যকলাপ খতিয়ে দেখতে ওই রাজ্যগুলিকে আধিকারিক নিয়োগের কথাও বলেছিলেন আদালত।
এদিন প্রধান বিচারপতি বলেছেন, শুধুমাত্র অভিযোগ দায়ের করেই রাজ্য নিজের হাত ধুয়ে ফেলতে পারে না। বরং এই ধরনের ঘটনা বন্ধ করতে রাজ্যকেই তৎপর হতে হবে।
এমবি





