অন্ধ্র-উড়িষ্যার দিকে ধেয়ে যাচ্ছে ‘হুদহুদ’। অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের আছড়ে পড়ার আশঙ্কায় প্রহর গুণছে অন্ধ্রপ্রদেশ এবং উড়িষ্যা। হুদহুদের পরোক্ষ প্রভাব পড়তে চলেছে পশ্চিমবঙ্গেও। সে কারণে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে আগাম সতর্কতা। মুখ্যমন্ত্রীর দফতর নবান্নে খোলা হয়েছে বিশেষ কন্ট্রোল রুম।

রোববার দুপুরের মধ্যে অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনম এবং উড়িষ্যার গোপালপুরের মাঝামাঝি এলাকায় ১৮০ কিলোমিটার বেগে আছড়ে পড়তে চলেছে হুদহুদ। হুদহুদের প্রভাব থেকে রেহাই পাবে না পশ্চিমবঙ্গও। এর প্রভাবে আগামী আটচল্লিশ ঘণ্টায় দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। ব্যাপক বৃষ্টি হতে পারে উপকূলবর্তী জেলাগুলিতেও।  

হুদহুদ মোকাবিলায়  বিশেষ কন্ট্রোল রুম খুলেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। আলিপুর আবহাওয়া অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে বিশেষ এই কন্ট্রোল রুম। শনিবার নবান্নে বৈঠক করেন পুরসভার, কেএমডিএ, সেচ দফতর, বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর সহ একাধিক দফতরের আধিকারকেরা। ওই বৈঠকেই  কন্ট্রোলরুম খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৃষ্টির জেরে কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলি যাতে জলমগ্ন হয়ে  না হয়ে পড়ে সে জন্য বিশেষভাবে সতর্ক করা হয়েছে নিকাশি, জঞ্জাল অপসারণ এবং বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরকে।  কলকাতা পুরসভার পাম্পিং বিভাগের কর্মীদের ছুটি বাতিল হয়েছে।  

ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় প্রচুর পরিমাণ ত্রিপল ও ত্রাণ সামগ্রী মজুত রাখা হয়েছে। ত্রাণ সামগ্রীর একাংশ ইতোমধ্যেই পাঠানো হয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরে।

এদিকে ক্ষয়ক্ষতির পরিমান শূন্যে রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রো মোদি। ইতোমধ্যে দুই লক্ষাধিক মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

তবে ‘হুদহুদ’ এর প্রকোপ থেকে বাংলাদেশ একেবারে আশঙ্কা মুক্ত না।

সূত্র : জিনিউজ

এএইচ