ফেরারী স্বঘোষিত গুপ্তচর এডওয়ার্ড স্নোডেন বুধবার তার দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। স্নোডেন তার বিরুদ্ধে গোপনীয় গোয়েন্দা তথ্য ফাঁসের গুরুতর অভিযোগের ব্যাপারে আত্মপক্ষ সমর্থন করে বলেন, মার্কিন সংবিধান যেভাবে লংঘন করা হয়েছে সেক্ষেত্রে তার অন্য কোন উপায় নেই। স্নোডেন ইউরোপসহ সারা বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্রে টেলিফোনে আড়ি পাতা ও ইন্টারনেট থেকে তথ্য চুরির ঘটনা প্রকাশ করার প্রায় এক বছর পর তার দেশ যুক্তরাষ্ট্র ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘বিশ্বে কোন দেশে যেতে হলে তা হবে আমার জন্মভূমি।’ এনবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, ‘প্রথম দিন থেকেই আমি বলে আসছি যে আমি এটা আমার দেশের জন্যই করছি। আমার ক্ষমা বা অনুকম্পার সম্ভাবনার বিষয়ে জনগণই সিদ্ধান্ত নেবে।’ গত বছরের জুন মাসে মার্কিন প্রশাসনের কেলেঙ্কারির কথা ফাঁস করে দেয়ার পর স্নোডেন এই প্রথম কোন মার্কিন টিভি চ্যানেলে সাক্ষাতকার দিলেন। প্রভাবশালী ব্রিটিশ দৈনিক গার্ডিয়ানে এনএসএ’র একটি গুপ্তচর কর্মসূচির কথা ফাঁস করার মাধ্যমে স্নোডেন মানুষের জীবনকে হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছেন বলে মার্কিন প্রশাসন তাকে বিশ্বাসঘাতক আখ্যায়িত করে তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এনেছে সে বিষয়ে তিনি আত্মপক্ষ সমর্থন করেছেন। তিনি আরো বলেন, ‘বাস্তবতা হচ্ছে এখন জনগণের সামনে সত্য উন্মোচনের সময় এসেছে। আপনারা জানেন যে মার্কিন সংবিধান কি ব্যাপকভাবে লংঘিত হয়েছে।’ তবে মার্কিন প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা স্নোডেনকে ক্ষমা করার বিষয়টি নাকচ করে দিয়েছেন। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি বলেছেন, সিআইএ’র ৩০ বছর বয়সী সাবেক এ গুপ্তচরকে বিচারের সম্মুখীন হতে হবে। এনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্নোডেন বলেন, তিনি সিআইএ ও এনএসএর হয়ে বিদেশে গুপ্তচরবৃত্তি করেছেন। ছদ্ম নামে তথ্য সংগ্রহ করেন। মার্কিন গোয়েন্দাদের লাখ লাখ নথি হাত করে ২০১৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র থেকে পালিয়ে যান স্নোডেন। হংকং হয়ে বর্তমানে তিনি রাশিয়ায় সাময়িক রাজনৈতিক আশ্রয়ে আছেন। প্রকাশিত অন্যান্য নথির মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রসহ সারা বিশ্বে এনএসএ যে লাখ লাখ টেলিফোন কলে আড়ি পেতেছে, তা ফাঁস করেন স্নোডেন। এমনকি বিদেশি নেতাদেরও ফোনকল রেকর্ড করেছে এনএসএ। এ ঘটনার পর এনএসএর ভূমিকা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়। সূত্র: বিএসএস [b]ঢাকা, ২৯ মে (টাইমনিউজবিডি.কম) //এমএ[/b]
আন্তর্জাতিক
দেশে ফিরতে চান স্নোডেন
ফেরারী স্বঘোষিত গুপ্তচর এডওয়ার্ড স্নোডেন বুধবার তার দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। স্নোডেন তার বিরুদ্ধে গোপনীয় গোয়েন্দা তথ্য ফাঁসের গুরুতর অভিযোগের ব্যাপারে আত্মপক্ষ সমর্থন করে বলেন, মার্কিন সংবিধান যেভাবে লংঘন করা হয়েছে সেক্ষেত্রে তার অন্য কোন উপায় নেই।





