দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি (এএপি)। দিল্লি বিধানসভার ৭০টি আসনের মধ্যে ৬৭টি আসনই পেয়েছে এএপি। বিজেপি পেয়েছে বাকি ৩টি আসন। কংগ্রেস একটি আসনও পায়নি। খবর এনডিটিভির।
১৪ ফেব্রুয়ারি দিল্লির বিখ্যাত রামলীলা ময়দানে টানা দ্বিতীয়বারের মতো মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করবেন ৪৬ বছর বয়সী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। এএপি ৫৩ শতাংশ ভোট পেয়েছে। রাজ্যটির বিধানসভায় সরকার গঠন করতে ৩৬টি আসনের প্রয়োজন ছিল।
উল্লেখ্য, গত বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারিতে মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন কেজরিওয়াল। গতবারই প্রথমবারের মতো নির্বাচনে অংশ নেয়া নবগঠিত দল আম আদমি চমক দেখিয়েছিল সেবারও। কিন্তু বিশৃঙ্খলা ও ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার মধ্যে মাত্র ৪৯ দিন ক্ষমতায় ছিল কেজিরওয়াল সরকার।
নির্বাচনে বিজেপির ভয়াবহ রকম পতন ঘটেছে। কেন্দ্রের ক্ষমতায় থাকা বিজেপি পেয়েছে মাত্র ৩টি আসন। বিজেপি পেয়েছে ৩৩ শতাংশ ভোট, যা গত নির্বাচন থেকে অপরিবর্তিত রয়েছে। দিল্লির বিজেপি প্রধান কিরণ বেদী নিজেও দলটির সুরক্ষিত আসনে হেরে গেছেন। বিজেপি গত লোকসভা নির্বাচনে দিল্লিতে ৭টি আসন পেয়েছিল। আর ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত বিধানসভা নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি ৩১টি আসন পেয়েছিল।
আর কংগ্রেসের কোন অস্তিত্বই নেই। দলটি একটি আসনও পায়নি। কংগ্রেস তার ইতিহাসে এমন দুঃস্বপ্ন কখনো দেখেনি। কংগ্রেসের ভোট কমেছে ১৫ শতাংশ। অথচ এই দিল্লিতেই মাত্র ১৩ মাস আগে টানা ১৫ বছর ধরে ক্ষমতাসীন ছিল দলটি। ফল ঘোষণার পর দলটির সাধারণ সম্পাদক অজয় মাকেন পদত্যাগ করেছেন। তিনি দিল্লির নির্বাচনে কংগ্রেসের পক্ষে প্রচারণায় নেতৃত্ব দেন।
ফল ঘোষণার পর কেজরিওয়ালকে ফুলের বন্যায় ভাসিয়ে দেন তার সমর্থকরা। দলীয় কার্যালয়ের সামনে তিনি স্ত্রী সুনিতাকে নিয়ে উপস্থিত ছিলেন। সাধারণত নির্বচানী কোন কর্মকাণ্ডে স্ত্রীর সঙ্গে তাকে দেখা যায় না।
ভোটারদেরকে অভিনন্দন জানিয়ে কেজরিওয়াল বলেন, "আমরা সবসময়ই সত্যের পথে হেঁটেছি। আমাদের প্রতি দিল্লিবাসীদের সমর্থনের এক অনন্য দৃষ্টান্ত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এদিকে পরাজয় মেনে নিয়ে কেজরিওয়ালকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
এমএ





