সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট থেকে সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মালয়েশিয়া। মালয়েশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী মুহাম্মাদ সাবু জানিয়েছেন, “সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে গত সপ্তাহে মন্ত্রিসভা সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য এখন আমরা সশস্ত্র বাহিনীর প্রস্তুতির অপেক্ষায় আছি।”
বৃহস্পতিবার (২৮ জুন) রাজধানী কুয়ালালামপুরে নির্বাচিত কয়েকজন সাংবাদিককে দেয়া সাক্ষাৎকারে মুহাম্মাদ সাবু একথা জানান।
তিনি বলেন, “আমরা এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েরও সহযোগিতার অপেক্ষায় আছি; তারা এ বিষয়ে সাহায্য করবে।”
মুহাম্মাদ সাবু আরও বলেন, “মালয়েশিয়া সৌদি আরবের যেমন বন্ধু থাকবে তেমনি তার প্রতিবেশী দেশগুলোরও বন্ধু থাকতে চায়। আমরা সৌদি আরবের প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে কোনো দ্বন্দ্বের অংশ হতে চাই না।”
এর আগে, মালয়েশিয়ার মানবাধিকার সংস্থাগুলো ইয়েমেন যুদ্ধে কুয়ালালামপুরের সংশ্লিষ্টতার অবসানের আহ্বান জানায়। তারা সৌদি আরবে মালয়েশিয়ার সেনা উপস্থিতির ব্যাখ্যা চেয়েছিল প্রতিরক্ষামন্ত্রী সাবুর কাছে।
সৌদি আরব আগেই ঘোষণা করেছিল, কথিত সন্ত্রাবাদ-বিরোধী লড়াইয়ে ৩৪ জাতির সামরিক জোটে কাজ করছে মালয়েশিয়া।
এছাড়া, গত এপ্রিল মাসে সৌদি আরবের দাম্মামে অনুষ্ঠিত ‘গাল্ফ শিল্ড’নামে সামরিক মহড়ায় যোগ দেয় মালয়েশিয়া। তবে আগের সরকারের প্রতিরক্ষামন্ত্রী সবসময় ইয়েমেন যুদ্ধে তার দেশের সেনাদের জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছেন।
তিনি সবসময় বলতেন, পরিস্থিতি মূল্যায়নের জন্য সেনা কর্মকর্তারা সেখানে অবস্থান করছেন। কিন্তু মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, তিন বছর ধরে পরিস্থিতি মূল্যায়নের দাবি যৌক্তিক নয় বরং সেনাদেরকে দেশে ফেরত আনতে হবে।
এমবি





