ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) বৈশ্বিক এজেন্ডা হিসেবে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনকে উৎসাহিত করে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত পিয়েরে মায়াদোন।

এছাড়া হেফাজতে ইসলামীর সঙ্গে সরকারের সম্পৃক্ত হওয়াকেও ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন তিনি।

৯ মে 'ইউরোপ দিবসের' প্রাক্কালে আজ সোমবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইইউ রাষ্ট্রদূত এমন অভিমত ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন থেকে শিক্ষা নিয়ে আগামী নির্বাচনে সবার অংশগ্রহণ কাম্য। এ লক্ষ্যে আগামীতে সকল রাজনৈতিক প্রক্রিয়া অংশগ্রহণমূলক হবে বলে জোরালোভাবে আশা করি।

পিয়েরে মায়াদোন বলেন, ইইউ বৈশ্বিক এজেন্ডা হিসেবে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনকে উৎসাহিত করে। বাংলাদেশেও এই স্তম্ভের প্রতি সাড়া আশা করে ইইউ।

বাংলাদেশের সঙ্গে ইইউ'র সম্পর্ক বিষয়ে ২০০১ সালে সম্পাদিত এক চুক্তির উল্লেখ করে তিনি বলেন, চুক্তির এক নম্বর অনুচ্ছেদে গণতন্ত্র ও মানবাধিকারকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ভিত্তি বলে অভিহিত করা হয়েছে।

বাংলাদেশে বিদ্যমান গণতান্ত্রিক ও মানবাধিকার পরিস্থিতিতে খুশি কিনা জানতে চাইলে পিয়েরে মায়াদোন বলেন, 'আমরা এখানে কোনো বক্তৃতা দিতে আসিনি; আমরা এখানে সম্পৃক্ত হতে এসেছি।'

তিনি বলেন, 'বিশ্বের যে কোনো স্থানেই গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের বিষয়ে সমস্যা থাকে। আমি যদি বলি- এখানকার পরিস্থিতিতে আমি খুবই খুশি, তবে আপনারা কেউ আমার কথা বিশ্বাস করবেন না।'

হেফাজতের সঙ্গে সরকারের সম্পৃক্ত হওয়াকে ইতিবাচক মন্তব্য করে ইইউ রাষ্ট্রদূত বলেন, অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ প্রতিষ্ঠায় সবার সঙ্গে সম্পৃক্ত উচিত। সমাজের কোনো অংশকে বিচ্ছিন্ন রাখা উচিত নয়। হেফাজতের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার উদ্দেশ্য ইতিবাচক।

উল্লেখ্য, ৯ মে বিশ্বের অন্যান্য স্থানের মতো বাংলাদেশেও বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে 'ইউরোপ দিবস' পালন করা হবে। রোম চুক্তি যার ভিত্তিতে ইইউ গঠিত হয়েছিল, সেই চুক্তির ৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে দিবসটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।

এমবি