আমেরিকায় পরমাণু আশ্রয় কেনার হিড়িক পড়েছে। পিয়ংইয়ং-ওয়াশিংটনের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এ হিড়িক বাড়ছে বলে জানিয়েছে পরমাণু আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণের সঙ্গে জড়িত সূত্রগুলো।
পরমাণু আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণ সংস্থা ‘অ্যাটলাস সার্ভাইভাল সেন্টারের’ প্রধান বলেছেন, বাঙ্কার কেনার এমন হিড়িক আগে কখনো দেখেননি তিনি। ক্যালিফোর্নিয়া ভিত্তিক সংস্থা বলেছে, সম্প্রতি তারা ক্যারোলিনা, টেনিসেস, টেক্সাস, লুজিয়ানা, ওয়াশিংটন, ওকলাহামা, অ্যারিজোয়ানা এবং ক্যালিফোর্নিয়ায় বিক্রি করেছে পরমাণু আশ্রয় কেন্দ্র। টেক্সাসের অন্য একটি সংস্থার বিক্রি ২০০ শতাংশ বেড়েছে বলে জানান হয়েছে।
পরমাণু আশ্রয় কেন্দ্র ভূপৃষ্ঠ থেকে ২০ ফুট নিচে স্থাপন করা হয়। এর দাম ১০ হাজার থেকে এক লাখ ১০ হাজার ডলার পর্যন্ত হতে পারে। কেউ চাইলে এতে এক বছর কাটিয়ে দিতে পারবেন।
এদিকে, জাপানেও পরমাণু আশ্রয় কেন্দ্র কেনার বাজার বাড়ছে বলে মার্কিন একটি সূত্র থেকে জানান হয়েছে। ছয় মাস আগেও জাপানে পরমাণু আশ্রয় কেন্দ্রের কোনো চাহিদাই ছিল না। এখন তা হু হু করে বাড়ছে।জাতিসংঘের নিন্দা ও যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি সত্ত্বেও উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা অব্যাহত রাখার ঘোষণায় জাপানে পরমাণু অস্ত্র হামলার ধাক্কা সামলাতে পারে- এমন বাড়ির পাশাপাশি বায়ু শোধনকারী যন্ত্র বিক্রি বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সম্প্রতি জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে পার্লামেন্ট অধিবেশনে সতর্ক করে বলেছেন, সারিন নার্ভ গ্যাস হামলা চালানোর মতো সক্ষমতা পিয়ংইয়ংয়ের রয়েছে। কার্যত এরপরই দেশটিতে পরমাণু বোমার বিকিরণ ও বিষাক্ত গ্যাস শোধনকারী যন্ত্রের চাহিদা বেড়েছে। নিউক্লিয়ার শেল্টার বা পরমাণু আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণে বিশেষজ্ঞ জাপানের একটি ছোট প্রতিষ্ঠান চলতি মাসে এমন আটটি আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণের বায়না পেয়েছে। যেখানে সারা বছরে সাধারণত ৬টি বায়না পায় প্রতিষ্ঠানটি।
এএইচ





