সুদান সরকার অভিযোগ করেছে, আফ্রিকাকে বিভক্ত করার চেষ্টা করছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ। চলতি সপ্তাহে আফ্রিকা ও ইইউ’র এক শীর্ষ সম্মেলনে সুদানের প্রেসিডেন্ট ওমর আল-বাশিরকে আমন্ত্রণ না জানানোর পর খার্তুম এ অভিযোগ করল।
সুদানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ওই সম্মেলনে আফ্রিকার কিছু বাছাই করা নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে এবং এ থেকে বোঝা যায়, আফ্রিকান ইউনিয়নকে ভেঙে ফেলতে চায় ইউরোপ। আফ্রিকান ইউনিয়ন চায় যেকোনো বৈঠকে এর সব নেতাকে আমন্ত্রণ জানাতে হবে।
বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে আগামী বুধ ও বৃহস্পতিবার ইইউ-আফ্রিকা শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। দুই মহাদেশের ৯০টি দেশের প্রতিনিধিরা এ সম্মেলনে অংশ নেবেন এবং এতে অন্তত ৬৫টি দেশের সরকার বা রাষ্ট্রপ্রধানরা উপস্থিত থাকবেন।
২০০৯ সালের মার্চ মাসে সুদানের প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ ও মানবতা বিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালত বা আইসিসি। এই প্রথম ওই আদালতের পক্ষ থেকে একজন রাষ্ট্রপ্রধানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। পাশ্চাত্যবিরোধী নেতা হিসেবে পরিচিত বাশির তার বিরুদ্ধে আনা এসব অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন। সূত্র: আইআরআইবি
[b]ঢাকা, ৩১ মার্চ (টাইমনিউজবিডি) //এমএ
[/b]
আন্তর্জাতিক
আফ্রিকাকে বিভক্ত করার চেষ্টা করছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন: সুদান
সুদান সরকার অভিযোগ করেছে, আফ্রিকাকে বিভক্ত করার চেষ্টা করছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ। চলতি সপ্তাহে আফ্রিকা ও ইইউ’র এক শীর্ষ সম্মেলনে সুদানের প্রেসিডেন্ট ওমর আল-বাশিরকে আমন্ত্রণ না জানানোর পর খার্তুম এ অভিযোগ করল।





