ইসরাইলের রাজধানী তেলআবিবের একটি বারে বন্দুকধারীদের গুলিতে দু’জন নিহত হয়েছেন। এ সময় আরও সাতজন আহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় শুক্রবার বিকালে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে ইসরাইলি পুলিশ। খবর বিবিসি।
চ্যানেল টেন’র বরাত দিয়ে ইসরাইলি দৈনিক জেরুজালেম পোস্ট জানিয়েছে, রাজধানীর ব্যস্ততম সড়ক ‘দিজেনগফ স্ট্রিটে’ হামলাকারী ইসরাইলের উত্তরাঞ্চলীয় শহর হাঈফা’র পার্শ্ববর্তী ‘ইসরাইলি-আরব’ অধ্যুষিত অঞ্চলের ওয়াদি এরা গ্রামের বাসিন্দা। হামলার পর ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ দেখে ‘সন্দেহভাজন’ ওই হামলাকারীর বাবা নিজেই ছেলেকে শনাক্ত করেছেন।
ইসরাইলের তদন্তকারীদের বিশ্বাস ‘সন্দেহভাজন’ ওই বন্দুকধারী জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) দ্বারা প্রভাবিত হয়েই এই হামলা চালিয়েছে।
ইসরাইলে আরেকটি ‘প্যারিস কাণ্ড’ ঘটানোই ছিল তার উদ্দেশ্য। পুলিশের মুখপাত্র মিকি রোজেনফেল্ড বলেন, ‘কী কারণে এটা ঘটল, এটা জঙ্গি হামলা না সন্ত্রাসী হামলা- তা এখনও স্পষ্ট নয়।’ আগে থেকে এ ধরনের কোনো হামলার হুমকিও ছিল না বলে তিনি জানান।
হামলাকারীকে ধরতে গোয়েন্দা শাখা ও সন্ত্রাস প্রতিরোধী শাখার সদস্যরা শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালাচ্ছে। তবে হারিৎজ’র খবরে বলা হয়েছে, তেলআবিব শহরের মেয়র রন হুলদাই ঘটনাস্থলে সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘এটাকে জাতীয়তাবাদে উদ্বুদ্ধ সন্ত্রাসী হামলা বলেই মনে হচ্ছে।’
এআই





