মৃত্যুবরণ করেছেন ভারতের দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিত। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮১ বছর। মৃত্যুর পূর্বে বেশ কিছু দিন ধরে অসুস্থ ছিলেন তিনি।ওই হাসপাতালের চিকিৎসক অশোক শেঠ সংবাদমাধ্যমকে জানান, আজ দুপুর ৩টা ৫৫ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
সর্বশেষ শুক্রবার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে দিল্লির একটি বেসরকারি হাসাপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। ২০১২ সাল থেকে হৃদরোগের সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। শনিবার সকালেই তাকে ওই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।
১৯৯৮ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত টানা তিনবার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন শীলা দীক্ষিত। পরে তাকে হারিয়ে সরকার গঠন করে রাজধানীর মুখ্যমন্ত্রী হন আম আদমি পার্টির (এএপি) নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল।
বর্ষীয়ান এই নেত্রীকে ২০১৪ সালে কেরালার গভর্নর করা হন। ওই বছরে মে-মাসে কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসে মোদী সরকার। আর আগস্টেই গভর্নর পদ থেকে ইস্তফা দেন তিনি। ২০১৭ সালে উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস তাকে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থীও করে। পরবর্তীকালে সেই পদ থেকে তার নাম প্রত্যাহার করেন শীলা দীক্ষিত।
১৯৩৮ সালে জন্ম অবিভক্ত ভারতের পাঞ্জাবে। পড়াশোনা দিল্লির কনভেন্ট অব জেসাস অ্যান্ড ম্যারি স্কুলে। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে স্নাতক।
মুখ্যমন্ত্রীর মৃত্যুতে টুইটে শোকবার্তা জানান রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ ও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রাষ্ট্রপতি তার শোকবার্তায় জানান, শীলা দীক্ষিতের সময় দিল্লি অভূতপূর্ব পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে গেছে, যা চিরদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপচারিতার একটি ছবি দিয়ে জানান, দিল্লির উন্নয়নে তার ভূমিকা অনস্বীকার্য। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও শোকবার্তা পাঠিয়েছেন। এতে তিনি বলেন, উনি সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী থাকাকালীন একসঙ্গে কাজ করেছি। দারুণ সম্পর্ক ছিল তার সঙ্গে। ওনার অভাব অনুভব করবো।
এএস





