মিয়ানমারের পশ্চিমাঞ্চলীয় একটি গ্রামে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের একদল দাঙ্গাকারী ব্যক্তির সহিংস হামলায় শিশু ও নারীসহ সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের কমপক্ষে ৪০ জন নিহত হয়েছেন। জাতিসংঘের এক পরিসংখ্যানে এ তথ্য দেয়া হয়েছে।
দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শনাক্ত করা ও তাদের শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এপি।
প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ের মুখপাত্র ইয়ে হাতুত গণহত্যার রিপোর্টের সত্যতার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। জাতিসংঘের দাবির কঠোর বিরোধিতা করেন তিনি।
তিনি বলেন, জাতিসংঘের দেয়া তথ্য-উপাত্ত সম্পূর্ণ ভুল। সংখ্যাগরিষ্ঠ ৬ কোটি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী জনগোষ্ঠীর বসবাস মিয়ানমারে। ২০১২ সালের জুন মাস থেকে সেখানে রোহিঙ্গা মুসলিম সম্প্রদায়ের ওপর সহিংস হামলা পরিচালিত হচ্ছে।
জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনার নাভি পিল্লাই বলেছেন, দু চার ইয়ার তান গ্রামে গত ৯ই জানুয়ারি রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের ৮ মুসলমানের ওপর হামলা চালিয়ে তাদের হত্যা করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের দেয়া তথ্যানুযায়ী, গত ১৩ই জানুয়ারি একই গ্রামে সংঘর্ষ, অপহরণ ও এক পুলিশ সার্জেন্টকে হত্যার মতো ঘটনা ঘটে।
পিল্লাই বলেছেন, পুরুষ, নারী ও শিশুসহ কমপক্ষে ৪৮ রোহিঙ্গা মুসলমান নিহত হয়েছেন। ছুরি, লাঠি নিয়ে তাদের ওপর বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের দাঙ্গাকারীরা চড়াও হলেও পুলিশ নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে। সূত্র: এপি।
[b]২৪ জানুয়ারি(টাইমনিউজবিডি.কম)//এফএ[/b]
আন্তর্জাতিক
মিয়ানমারে শিশু ও নারীসহ ৪৮ রোহিঙ্গা মুসলমানকে হত্যা
মিয়ানমারের পশ্চিমাঞ্চলীয় একটি গ্রামে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের একদল দাঙ্গাকারী ব্যক্তির সহিংস হামলায় শিশু ও নারীসহ সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের কমপক্ষে ৪০ জন নিহত হয়েছেন। জাতিসংঘের এক পরিসংখ্যানে এ তথ্য দেয়া হয়েছে। দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে





