মার্কিন বাহিনীর ইরাক আগ্রাসনের পর বন্ধ হয়ে যাওয়া ইরাকের জাতীয় জাদুঘরটি আবারো চালু হতে যাচ্ছে। চলতি বছরের এপ্রিলে চালু হতে পারে এক সময়ের সুপ্রাচীন সামগ্রী দিয়ে সমৃদ্ধ এই জাদুঘরটি।
২০০৩ সালে মার্কিন নেতৃত্বাধীন ন্যাটো বাহিনী সাদ্দাম হোসেনের ইরাকে আগ্রাসন চালায়। সাদ্দামের বিরুদ্ধে বুশ প্রশাসনের অভিযোগ ছিল, তার কাছে মারাত্মক মারণাস্ত্র রয়েছে। কিন্তু পরবর্তীতে ইরাকে এরকম কোন সত্যতা খুঁজে পাওয়া যায়নি।
আগ্রাসনের শুরুর দিকেই বাগদাদে অবস্থিত পৃথিবীর অন্যতম সমৃদ্ধশালী এই জাদুঘরটিতে হামলা চালায় মার্কিন বাহিনী। দখলদার বাহিনীর বোমাবর্ষণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় জাদুঘরটির। শুধু বোমাবর্ষণই নয়, জাদুঘরটিতে ব্যাপক লুটপাটও চালানো হয়। এতে হারিয়ে গেছে অনেক প্রাচীন নিদর্শন। একইসাথে বাগদাদে অবস্থিত হাজার হাজার বছরের পুরনো বই, গ্রন্থ ও স্মারক ও লিপিসমৃদ্ধ কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিটিকে ধূলায় মিশিয়ে দেয়া হয়।
জাতীয় জাদুঘরটির বর্তমান পরিচালক কায়েস রাশিদ বুধবার জানিয়েছেন, "ইটালির সহায়তায় জাদুঘরটি পুনরায় চালু করতে আমরা রাতদিন কাজ করে যাচ্ছি।"
তিনি জানিয়েছেন, জাদুঘরের কাজ প্রায় শেষের দিকে। এখন এর প্রধান গেটটি নির্মাণের বাকি। এটি হয়ে গেলে আগামী এপ্রিল নাগাদ আমরা এটি খুলে দিতে পারবো।
শুধু জাতীয় জাদুঘরই নয়, অন্যান্য প্রদেশেও জাদুঘর নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়েছেন পরিচালক রাশিদ।
উল্লেখ্য, ইরাকের জাতীয় জাদুঘরটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯২৩ সালে। এটি বাগদাদের পূর্বে অবস্থিত। জাদুঘরটিতে বর্তমানে দুই লাখেরও বেশি প্রাচীন নিদর্শন রয়েছে। এর মধ্যে অনেকগুলোই প্রাগৈতিহাসিক যুগের। জাদুঘরটিতে শুধুমাত্র ইতিহাস বিভাগেরই রয়েছে ১৮টি হল।
[b]ঢাকা, ৫ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম)//এমএ
[/b]
আন্তর্জাতিক
এক দশক পর খুলে দেয়া হচ্ছে ইরাকের বিধ্বস্ত জাতীয় জাদুঘর
মার্কিন বাহিনীর ইরাক আগ্রাসনের পর বন্ধ হয়ে যাওয়া ইরাকের জাতীয় জাদুঘরটি আবারো চালু হতে যাচ্ছে। চলতি বছরের এপ্রিলে চালু হতে পারে এক সময়ের সুপ্রাচীন সামগ্রী দিয়ে সমৃদ্ধ এই জাদুঘরটি। ২০০৩ সালে মার্কিন নেতৃত্বাধীন ন্যাটো বাহিনী সাদ্দাম হোসেনের ইরাকে আগ্রাসন চালায়।





