শুক্রবার রাতে সরানো হল ভারতে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত দীপকুমার উপাধ্যায়কে। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ। নেপালের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ভারতের হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করতে প্রেসিডেন্ট বিদ্যাদেবী ভাণ্ডারির ভারত সফর বাতিল করা হয়। এর পর সরাসরি প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলিকে ফোন করে উপাধ্যায় নেপালের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেন।

তার পরেই প্রধানমন্ত্রী তাকে সরানোর নির্দেশ দেন। এ ছাড়া সম্প্রতি সরকারকে না জানিয়ে ভারতের রাষ্ট্রদূত রঞ্জিত রায়কে নিয়ে তার নেপালে ঘুরে বেড়ানোর খবর প্রকাশ্যে আসে।

পাশাপাশি ওঠে আরো একটি গুরুতর অভিযোগ। নেপালি কংগ্রেস দলের সঙ্গে হাত মিলিয়ে তিনি ওলি সরকারকে ফেলার চেষ্টা করেছিলেন বলে চাউর হয়ে যায়। গত সপ্তাহে নেপালি কংগ্রেস নেতা শের বাহাদুর দেউবার সঙ্গে হাত মিলিয়ে মাওবাদী নেতা প্রচণ্ড জোট সরকারের বিপদ ডেকে এনেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলির গদি টলে ওঠে।

অভিযোগ, প্রচণ্ডর সঙ্গে দেউবার বোঝাপড়ার পেছনে হাত ছিল উপাধ্যায়ের। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা গোপাল খানান জানান, কেউ ঠিকঠাকভাবে দেশের প্রতিনিধিত্ব না করলে তাকে সরানোর অধিকার সরকারের রয়েছে।

উপাধ্যায় নিজে বলেন, ভারত এবং নেপাল সরকারের ভুল বোঝাবুঝির ফলেই আমাকে সরতে হচ্ছে।‌‌ ওলি সরকার আসার পর ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত হওয়ার আশা করা হচ্ছিল। কিন্তু এই ঘটনার পর ফের দু’‌দেশের সম্পর্ক প্রশ্নের মুখে।‌‌

এমআর