ভেনিজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর সমর্থক ও বিরোধীপক্ষ পাল্টাপাল্টি সমাবাবেশ করেছে। এ সময় সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়।
প্রতিবাদ বিক্ষোভের সময় বিক্ষোভকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর ছুড়ে মারে। আর পুলিশ কর্মকর্তারা টিয়ারগ্যাস ছোড়ে। এতে তিনজন নিহত হয়েছে।
প্রথমে মাদুরোর হাজার হাজার সমর্থক রাজধানীর কেন্দ্রে সমবেত হয় এবং তাদের রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শন করে।
অন্যদিকে প্রায় ২০০০ ছাত্র শান্তিপূর্ণভাবে কারাকাসের আলতামিরা স্কয়ারে সমবেত হয়। তারা বিকেলের দিকে সরকারের পরিকল্পনার সমালোচন করে এবং সরকারবিরোধী স্লোগান দেয়। আর অনেক ছাত্র প্রধান সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দেয়ার জন্য চেষ্টা চালায়। কিন্তু পুলিশ তাদের এ চেষ্টা ব্যর্থ করে দেয়।
এর আগে বুধবার মাদুরোর সমর্থকদের সঙ্গে সংঘর্ষে দুই সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারী নিহত হয়। আহত হয় ৬০ জন এবং আটক করা হয় ১০০ জনকে। যা লাতিন আমেরিকা ও ইউরোপের জন্য সতর্ক বার্তা হয়ে দাঁড়ায়।
মাদুরোর বিরুদ্ধে দুই সপ্তাহ ধরে চলা বিক্ষোভে মূলত ছাত্ররা নেতৃত্ব দিয়েছে। অপরাধের মাত্রা বৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে যাওয়া এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের সঙ্কট অসন্তোষের মূল কারণ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আইজ্যাক ক্যাস্তিলো (২৭) বলেন, ‘আগে আমরা অপরাধের কারণে বাইরে বের হতাম না। কিন্তু এখন আমরা বিক্ষোভ করতে বাইরে বের হই। আর পুলিশ আমাদের হত্যা করে। আমারা যারা তরুণ তাদের আর আস্থা ও আশা বলে কিছু নেই। কোনো চাকির নেই। যদিও চাকরি পাই তা জীবন চলার জন্য যথেষ্ট নয়।’ সূত্র: আল-জাজিরা
[b]ঢাকা, ১৬ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডিডটকম) // ইএইচ[/b]