[b]কিয়েভ:[/b] ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভিক্টর ইয়ানুকোভিচ রাজধানীতে সহিংস সংঘর্ষের পর ইউরোপীয় ইউনিয়নপন্থী (ইইউ) বিক্ষোভকারী ও বিরোধী নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছেন।
তিনি জানিয়েছেন,সংকট সমাধানে সোমবার একটি সর্বদলীয় কমিশন গঠন করা হবে। বিরোধী নেতারাও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে বিক্ষোভকারীরা পার্লামেন্ট ভবনে ঢোকার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন সহিংসতা বন্ধ ও জরুরী ভিত্তিতে রাজনৈতিক আলোচনার আহবান জানিয়েছেন।
গত নভেম্বরে ইইউ’র সাথে একটি বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের পর ইয়ানুকোভিচের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের সূত্রপাত হয়। বিক্ষোভকারীরা ইয়ানুকোভিচের পদত্যাগ দাবি করেন। সম্প্রতি বিক্ষোভকারীদের দমাতে একটি আইন পাস করা হলে বিরোধীরা ফুঁসে ওঠেন। কিয়েভের স্বাধীনতা স্কয়ারে হাজার হাজার বিক্ষোভকারীদের এক সমাবেশকে কেন্দ্র করে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভকারীদের ভাষায়,আইনে মৌলিক স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছে।
ক্ষমতাসীন দল অবশ্য এই দাবি অস্বীকার করে বলেছে,ইউরোপীয় মানদন্ড মেনে আইন প্রণয়ন করা হয়েছে।
তবে পশ্চিমা বিশ্ব নতুন আইনের ব্যাপারে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
প্রেসিডেন্ট ইয়ানুকোভিচের প্রেস অফিস রোববার বিকেলে জানায়,জাতীয় নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সচিব আঁদ্রি ক্লুয়েভের নেতৃত্বে একটি ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করা হবে।
সরকার ও প্রেসিডেন্ট প্রশাসনের সদস্যদের নিয়ে গঠিত এই গ্রুপ সংকট সমাধানে সোমবার বিরোধী প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করবে।
রাজধানী কিয়েভের বাইরে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তার বাসভবনে বৈঠকের পর বিরোধী নেতা ভিটালি কিতসকো খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
উদার পার্টির প্রধান ভিতালি বলেন,"সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানের সব সুযোগ কাজে লাগানো হবে।"
অপর বিরোধী নেতা আর্সেনি ইয়াতসেনাক জানিয়েছেন,প্রেসিডেন্ট সরাসরি তাকে আলোচনায় বসার প্রস্তাব দিয়েছেন।
এদিকে বিরোধী নেতারা হুঁশিয়ার করে বলেছেন,অবশ্যই খোলা মন নিয়ে আলোচনা হতে হবে। এটাকে সময়ক্ষেপনের কৌশল হিসেবে ব্যবহার করলে তা শুভ হবে না। বিরোধীরা সরকারের পদত্যাগ ও মধ্যবর্তী নির্বাচনের দাবি করেছে।
কিয়েভে রোববার বিরোধীদের সমাবেশ চলাকালে একদল বিক্ষোভকারী প্রতিবাদ জানাতে পার্লামেন্ট ভবনে ঢোকার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ বেধে যায়। তারা ডাইনামো ফুটবল স্টেডিয়ামের কাছে পুলিশ ও সেনাসদস্যদের ঘেরাও করে ফেলে। বিক্ষোভকারীরা পুলিশের ওপর পেট্রোল বোমা ও বিস্ফোরক দ্রব্য নিক্ষেপ করে। তারা পুলিশ বহনকারী একটি বাসসহ বেশ কয়েকটি যানে আগুন ধরিয়ে দেয়। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুঁড়ে ও জল কামান ব্যবহার করে। রাতেও পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ অব্যাহত ছিল। সূত্র: এএফপি
ইউক্রেনে সরকার ও বিরোধীদের মধ্যে সমঝোতার আভাস
কিয়েভ: ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভিক্টর ইয়ানুকোভিচ রাজধানীতে সহিংস সংঘর্ষের পর ইউরোপীয় ইউনিয়নপন্থী (ইইউ) বিক্ষোভকারী ও বিরোধী নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছেন।
শান্তি আলোচনা হলেও ইউক্রেনে হামলা চলবে : রাশিয়া
ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় আলোচনা পুনরায় শুরু হলেও সামরিক অভিযান বন্ধ বা সীমিত করা হবে না বলে জানিয়েছে রাশিয়া। সোমবার (২৬ অক্টোবর) মস্কোয় এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ। খবর আনাদোলু এজেন্সির।
ইউক্রেন থেকে তরুণদের দেশে বেঁচে ফেরার লোমহর্ষক বিবরণ
চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে বাংলাদেশ থেকে তরুণদের রাশিয়ায় নিয়ে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে। যুদ্ধক্ষেত্রে প্রতিপক্ষের অবস্থান শনাক্ত করতে এসব বাংলাদেশিকে ‘টোপ’ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে তথ্য পেয়েছে বাংলাদেশের পুলিশের একটি বিশেষ ইউনিট। এভাবে রাশিয়ায় পাঠানো ৩০ বাংলাদেশির মধ্যে ২০ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। অন্যদিকে, যুদ্ধক্ষেত্র থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় দেশে ফিরেছেন ঝিনাইদহের তরুণ রাজন হোসেন।
ইউক্রেনের দুই শহরে রুশ হামলায় নিহত ৬
ইউক্রেনের দুটি শহরে রাশিয়ার হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর খারকিভে একটি মুদি দোকানে হামলায় তিনজন নিহত ও আরও ২০ জন আহত হয়েছেন। রোববার (১১ অক্টোবর) এসব হামলার ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাতে জানিয়েছে রয়টার্স।
রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইউক্রেনে শিশুসহ নিহত ২৮
ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চলে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এসব হামলায় অন্তত ২৮ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে পাঁচজন শিশু রয়েছে।
ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র কিনতে ইউক্রেনকে ১৩৮ কোটি ডলার দিল ইইউ
ইউক্রেনের সামরিক সরঞ্জাম কেনার জন্য ১২৪ কোটি ইউরো বা প্রায় ১৩৮ কোটি ডলার অর্থ ছাড় করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্রসহ বিভিন্ন প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সংগ্রহে এ অর্থ ব্যয় করবে ইউক্রেন।
















