তালেবানের নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকা আফগানিস্তানের সবশেষ প্রদেশ পাঞ্জশের দখলের লড়াইয়ে নিজেদের বিজয় ঘোষণা করেছে তালেবান বাহিনী।
অনলাইনে তালেবান একটি ভিডিও পোস্ট করেছে যেখানে দেখা যাচ্ছে যে, তাদের যোদ্ধারা শহরে তালেবানের পতাকা উত্তোলন করছে।
তবে বিদ্রোহী যোদ্ধারা দাবি করেছে, তারা এখনো গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোয় অবস্থান নিয়ে রয়েছে এবং তাদের লড়াই অব্যাহত রয়েছে। খবর বিবিসি’র।
গত ৩ সপ্তাহ আগে সারা দেশের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে তালেবান। পশ্চিমা দেশগুলো সমর্থিত আফগান সরকারের পতন ঘটিয়ে ১৫ অগাস্ট রাজধানী কাবুল দখল করে নিয়েছে তালেবান।
ফলে আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনীর ২০ বছরের অভিযানের সমাপ্তি ঘটেছে।
রুক্ষ পাহাড়ি উপত্যকা পাঞ্জশেরে দেড় থেকে ২ লাখ মানুষের বসবাস রয়েছে। আশির দশকে সোভিয়েত অভিযান এবং ১৯৯৬-২০০১ তালেবান শাসনের সময়েও এই এলাকাটি বিদ্রোহের কেন্দ্রভূমি ছিল।
তালেবানের দাবি নাকচ করে দিয়ে এনআরএফের মুখপাত্র আলি মাইসাম বলেন, “তালেবান পাঞ্জশের দখল করতে পারেনি।”
তবে তালেবানের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ একটি বিবৃতিতে বলেছেন, “এই বিজয়ের মাধ্যমে আমাদের দেশকে পুরোপুরি কদর্য যুদ্ধ থেকে বের করে আনা হলো।”
বিবিসি’র সংবাদদাতা লিস ডুসেট বলছেন, পাঞ্জশের যদিও আফগানিস্তানের ছোট একটি প্রদেশ, কিন্তু এই এলাকার কিংবদন্তি রয়েছে। রুক্ষ পাহাড়ি এই এলাকা সোভিয়েতরা নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেনি, তালেবানও তাদের আগের মেয়াদে ব্যর্থ হয়েছে।
হয়তো তালেবান পাঞ্জশেরের গুরুত্বপূর্ণ আবাসিক এলাকাগুলো দখল করতে পারে, কিন্তু পাহাড়ি অনেক স্থান শুধু এখানকার বাসিন্দাদেরই চেনা। সেখানে হয়তো তারা বিদ্রোহী যোদ্ধাদের আশ্রয় দিচ্ছে।
এমবি





