উত্তর-পূর্ব আফ্রিকার দেশ ইরিত্রিয়ায় দূতাবাস বন্ধ করে দিয়েছে ইসরাইল। ইরিত্রিয়ায় গত দুই বছর ধরে ইসরাইলের কোনো কূটনীতিককে নিয়োগের অনুমতি না দেয়ায় ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী ইয়াইর লাপিদ দূতাবাস বন্ধ করার সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন।

ইসরাইল সর্বশেষ ইশমায়েল খালদি নামে এক কূটনীতিকে ইরিত্রিয়ায় রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে কিন্তু আসমারা সরকার তার নিয়োগের বিষয়টি অনুমোদন করতে দেরি করছে। এ কারণে শনিবার (১০ জুলাই) ইসরাইলের কূটনৈতিক মিশন বন্ধের নির্দেশ দেন লাপিদ।

ইয়াইর লাপিদ ইসরাইল সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে এখনো দায়িত্ব পালন করছেন। তবে নাফতালি বেনেটের নেতৃত্বাধীন সরকারের পতন হওয়ার পর অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার দায়িত্ব পালন করার কথা।

ইসরাইলি গণমাধ্যমের খবর অনুসারে, দীর্ঘদিন ধরেই ইসরাইলের দূতাবাস খালি পড়ে রয়েছে এবং সেখানকার কর্মীরা কাজ ছাড়া বাসায় অবস্থান করছেন। কিন্তু ইসরাইল সরকার প্রতি মাসে দূতাবাসের ভাড়া এবং অন্য ফি বাবদ লাখ লাখ ডলার খরচ করছে। ২০১৮ সালে সর্বশেষ ইসরাইলের রাষ্ট্রদূত রাজধানী আসমারা ত্যাগ করেন। এরপর থেকে এ পর্যন্ত অস্থায়ী প্রশাসক দিয়ে দূতাবাসের কাজ চালিয়ে নিয়েছে ইসরাইল।

২০২০ সালের এপ্রিল পর্যন্ত এভাবে কাজ চললেও এরপর থেকে ইসরাইলি দূতাবাসের নিরাপত্তাবিষয়ক প্রধান ছিলেন একমাত্র ইসরাইলি প্রতিনিধি এবং তার স্ত্রী প্রশাসনিক কাজের দায়িত্ব পালন করছিলেন। ইসরাইলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তখন করোনা মহামারীর অজুহাতে দূতাবাস সম্পূর্ণ খালি করে এবং সেই থেকে এ পর্যন্ত দূতাবাস পতিত অবস্থায় রয়েছে। সূত্র : পার্সটুডে।

এবিএস