করোনাবিধি লঙ্ঘনজনিত ‘পার্টি গেট’ কেলেঙ্কারির ঘটনায় তার বিরুদ্ধে হওয়া তদন্তের প্রেক্ষাপটে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়ার আগে প্রিভিলেজেস কমিটির তদন্ত প্রতিবেদনের একটি অনুলিপি হাতে পান বরিস জনসন। তিনি বলেন, ওই প্রতিবেদন হেঁয়ালি, অসত্য ও পক্ষপাতে পরিপূর্ণ।
বরিস জনসন বলেন, তারা এখনো এক টুকরো প্রমাণও তৈরি করতে পারেনি যে, আমি জেনেশুনে বা বেপরোয়াভাবে সেই বিধি ভঙ্গ করেছি।
পদত্যাগের সিদ্ধান্তের বিষয়ে তিনি বলেন, পার্লামেন্ট ত্যাগ করা খুবই দুঃখজনক, অন্তত আপাতত। তবে সর্বোপরি আমি আতঙ্কিত যে আমাকে অগণতান্ত্রিকভাবে একটি তীব্র পক্ষপাতমূলক কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে জোর করে বহিষ্কার করা হতে পারে।
প্রসঙ্গত, ২০২০-২১ সালে করোনা মহামারি চলাকালীন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন বরিস জনসন। সে সময় করোনার বিধিনিষেধ না মেনে তার কার্যালয়ে একাধিক পানাহারের আয়োজন করেন তিনি।
এ ঘটনাকেই ‘পার্টি গেট’ কেলেঙ্কারি বলা হয়। এসব অভিযোগকে কেন্দ্র করে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন বরিস জনসন।
এন





