ডাক্তার জাকির নায়েক বলেছেন, সরকার চাইলে তিনি দেশে ফিরবেন। সৌদি আরবের জেদ্দা থেকে টেলিফোনে একটি গণমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, তিনি যদি কোনো আইন ভঙ্গ করে থাকেন তা মোকাবেলা করার জন্য প্রস্তুত আছেন।

তিনি বলেন, নরেন্দ্র মোদিই একমাত্র ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী যিনি শাসনকালের প্রথম দুই বছরে এত মুসলিম দেশ সফর করেছেন। এর ফলে ভারতের সঙ্গে ওই দেশগুলোর সম্পর্কের উন্নতি হবে।

জাকির নায়েক বলেন, মোদির এইসব সফরের ফলে এ দেশেও হিন্দু-মুসলিম সম্পর্কের উন্নতি হবে। আর এটাই যদি ভারতের প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্য হয়, তবে তার পাশে রয়েছেন তিনি।

জাকির নায়েক আরো বলেন, ‘হিন্দু ধর্ম বিশ্বে একটি অন্যতম বৃহৎ ধর্ম। ভারতে বহু মুসলিম রয়েছেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী অনেক মুসলিম দেশ ভ্রমণ করেছেন। যদি প্রধানমন্ত্রী এসব দেশের দিকে বন্ধুত্বের হাত বাড়ান, তাহলে দেশে বিনিয়োগ তো আসবেই, এই সব দেশের সাহায্যে ভারত সুপারপাওয়ারও হয়ে উঠতে পারে।

কবে দেশে ফিরছেন জাকির- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দেশে ফিরবেন সরকার চাইলেই।

ইসলামিক স্টেট সম্পর্কে আপনার মতামত কী- এমন প্রশ্নের জবাবে জাকির নায়েক বলেন, ‘জিহাদ মানে সমাজের উন্নতির লক্ষ্যে লড়াই করা, পাশাপাশি আত্মরক্ষাও। কিন্তু ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জিহাদকে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে দেখিয়ে অ-মুসলিমদের ভয় পাইয়ে দিয়েছে। মুসলমানদের মাঝেও ভুল ধারণা আছে।

তিনি বলেন, ‘আইএস নিষ্পাপ মানুষদের হত্যা করছে। পবিত্র কুরআন অনুসারে আইএসের কার্যকলাপ মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ। আমি আইএসকে অ্যান্টি-ইসলাম স্টেট বলে মনে করি।

আপনি হিন্দু ধর্ম থেকে মানুষদের কনভার্ট করে মুসলিম করছেন- এমন প্রশ্নের জবাবে জাকির নায়েক বলেন, কাউকে ইসলামের ছায়াতলে আসার জন্য কখনো জোর করা হয়নি। হাজার হাজার মানুষ আমার বক্তব্য শুনে ইসলামের ছায়াতলে এসেছে। যদি কেউ শান্তির ধর্মে আসতে চায় তাকে থামাতে পারি না। ইন্ডিয়ান সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদে ধর্ম পালনের স্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে। আমি গর্বিত যে, আমি একজন ইন্ডিয়ান এবং ইন্ডিয়ান মুসলিম।

এফএফ