রবিবার এক উপ নির্বাচনে সংসদীয় আসনে জয় লাভ করেছেন পাকস্তানের পদচ্যুত প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের স্ত্রী।
এর মাধ্যমে কুলসুম নওয়াজের প্রতি আগামী নির্বাচন পর্যন্ত দেশটির প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের সম্ভাবনা আরো বৃদ্ধি পেল।
নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের জন্য নওয়াজের শরীফের প্রতি সমর্থন যাচাই করা হল বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে রয়টার্স।
নওয়াজ কন্যা মরিয়ম বলেন, পাকিস্তানি মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) দলের কর্মীরা হুমকি এবং অপহরণের শিকার হওয়া সত্ত্বেও তার মা কুলসুম নওয়াজ এ নির্বাচনে জয় লাভ করেছেন।
তিনি নাম উল্লেখ না করে এর জন্য দেশটির সেনাবাহিনীর সাথে জড়িত গোষ্ঠীকে দায়ী করেছেন। তবে এ নিয়ে সেনাবাহিনীর কোন ধরণের মন্তব্য করেনি।
পিএমএল-এন এর উল্লেসিত সমর্থকদের উদ্দেশ্যে এক বক্তৃতায় তিনি আরও বলেন,"এটি কোন সাধারণ বিজয় নয়। আপনারা শুধু মাঠের প্রতিদ্বন্দ্বীকেই পরাজিত করেননি, পরাজিত করেছেন পর্দার আড়ালের শক্তিকেও।"
এ নির্বাচনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) ভোট অনিয়মের অভিযোগ আনে।
মরিয়ম তার বক্তৃতায় এ বিজয়কে নওয়াজ শরীফের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র প্রতিহতের বার্তা বলে উল্লেখ করেন। ১৯৮০ সাল থেকে লাহরের এ আসন নওয়াজ পরিবারের দখলে।
ধারণা করা হচ্ছে, উপনির্বাচনে বিজয়ী করার পর স্ত্রীকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী পদে দলীয় মনোনয়ন দিবেন নওয়াজ শরীফ। সেটি হলে আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগ পর্যন্ত দেশটির প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন বেগম কুলসুম নওয়াজ।
এর আগে ১৯৯৯ সালে পাকিস্তানের সাবেক স্বৈরশাসক জেনারেল পারভেজ মোশাররফের নেতৃত্বাধীন সামরিক অভ্যুত্থানের সময় কারাবন্দি নওয়াজের অনুপস্থিতিতে দলের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন স্ত্রী কুলসুম নওয়াজ। ১৯৯৯ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত তিনি পিএমএল-এনের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। এই প্রথম তিনি কোন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলেন এবং বিজয় লাভ করলেন।
জেড





