জাতিসংঘ জানিয়েছে বৌদ্ধ প্রধান মিয়ানমার সরকার মুসলিম অধ্যুষিত রাখাইন প্রদেশে মানবাধিকার কর্মীদের যেতে বাধা দিচ্ছে। সেই সঙ্গে অভিযোগ করেছে যে প্রদেশটিতে ভয়াবহ বন্যায় অনেক মানুষ নিহত হলেও সরকার তাদেরকে সহায়তায় কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।

মিয়ানমারে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক বিশেষ দূত ইয়াংহি লিং সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন যে রাখাইন অঞ্চলে সফরের জন্য তার আবেদন বাতিল করে দেয়া হয়েছে।

আগেরবার তিনি রাখাইন প্রদেশ ঘুরে এসে রোহিঙ্গাদের নিয়ে বিবৃতি প্রদান করলে দেশটির সরকার ও উগ্র বৌদ্ধদের রোষে পড়েন।

২০১২ সালে বৌদ্ধদের দাঙ্গায় এক লাখ ৪০ হাজার রোহিঙ্গা ঘর-বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়। উদ্বাস্তু হয়ে তারা শোচনীয় জীবন- যাপন করছেন।

গত মাসে কোমেন ঘূর্ণিঝড়ের আঘাত এবং পরবর্তীতে মুষলধারে মৌসুমী বৃষ্টির ফলে সৃষ্ট বন্যায় রোহিঙ্গাদের অবস্থা আরো করুণ হয়ে পড়ে।

মিয়ানমার সরকার বন্যায় তাদের বিষয় কোনো মাথা ঘামাচ্ছে না- এমন অবস্থায় লিকেও ওই অঞ্চলে যেতে দিচ্ছে না।

এ বিষয় তিনি বলেন, "আমি যা দেখেছি সেটার বাস্তবতার উপর ভিত্তি করে মূল্যায়ন করা গুরুত্বপূর্ণ বলে আমি বিশ্বাস করি। তবে সরকার আমাকে রাখাইনে যেতে বাধা দিচ্ছে।

এদিকে যুক্তরাজ্য ভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন বার্মিজ রোহিঙ্গা সংস্থা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সরকার রাখাইনের অন্য নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীকে নিচু এলাকা থেকে অনেক শহরের উঁচু এলাকায় স্থানান্তরিত করেছে। কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক সরকার রাখাইন অঞ্চলে ত্রাণ সহায়তা পাঠাচ্ছে। কিন্তু রেহিঙ্গাদের ক্ষেত্রে অবহেলা করছে।

জেডআই