ইরানের জাহাজ শিল্পের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এর আওতায় কয়েকটি তেল ট্যাংকার, ইরানের কয়েকটি তেল কোম্পানি এবং ইন্সুরেন্স প্রতিষ্ঠানের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ এইসব ট্যাংকার এবং কোম্পানি সিরিয়ায় লাখ লাখ ব্যারেল তেল সরবরাহ করছিল।
গতকাল (০৪ সেপ্টেম্বর) বুধবার মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় ইরানের ১৬টি প্রতিষ্ঠান, ১০ জন ব্যক্তি এবং ১১টি তেল ট্যাংকারের ওপর এই নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দেয়।
১০ ব্যক্তির মধ্যে ইরানের একজন সাবেক মন্ত্রী রয়েছেন। ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে তেহরানকে নতজানু করার চেষ্টা করে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। তারই অংশ হিসেবে এই নিষেধাজ্ঞা দেয়া হলো।
নিষেধাজ্ঞার মধ্যে ভারতের একটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে যাদের সঙ্গে ইরানের আদ্রিয়ান দারিয়া-ওয়ান তেল ট্যাংকারের স্বার্থ রয়েছে। এ তেল ট্যাঙ্কারটি জিব্রাল্টার প্রণালী থেকে ব্রিটিশ মেরিন সেনারা আটক করেছিল এবং জুলাই মাসে ট্যাংকারটিকে জিব্রাল্টার কর্তৃপক্ষ মুক্তি দিয়েছে। ইরানের ওই তেল ট্যাংকারের বেশিরভাগ ক্রু এবং ক্যাপ্টেন ছিলেন ভারতীয় নাগরিক।
এদিকে, ইরান বিষয়ক মার্কিন বিশেষ প্রতিনিধি ব্রায়ান হুক গতকাল বলেছেন, ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যের ব্যাপারে যে দেড় হাজার কোটি ডলারের ঋণ প্রস্তাব করেছে ফ্রান্স, সে ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র কোনো ছাড় দেবে না।
তিনি বলেন, “আমরা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছি এবং ভবিষ্যতে আরো নিষেধাজ্ঞা আসবে। আমরা কোনমতেই সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের এই নীতি বাদ দেবো না এবং কাউকে আমরা নিষেধাজ্ঞা ছাড়ো দেব না।”
এর আগে মঙ্গলবার ইরানের মহাকাশ গবেষণা সংস্থার উপরে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র।
এমবি





