শনিবার (২৭ মে) সকালে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে ইরানের বার্তা সংস্থা ইরনা নিউজ।

ইরানের উপ-পুলিশ প্রধান জেনারেল কাসিম রেজাইরের দাবি, শনিবার সকালে তালেবান যোদ্ধারা প্রথমে ইরানের সিস্তান ও বেলুচিস্তান এবং আফগানিস্তানের নিমরোজ প্রদেশে গুলি ছোঁড়ে। এর জবাবে ইরান তালেবানের ওপর ব্যাপক গুলিবর্ষণ ও হামলা চালায়।

তবে আফগানিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আব্দুল নাফি তাকোর দাবি করছেন, ইরান আগে গুলি ছুঁড়েছে। দুই পক্ষের গোলাগুলিতে ২ জন নিহত হয়েছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে জানিয়েছেন এ কর্মকর্তা।

ইরানের সংবাদ মাধ্যমগুলো বলছে, তালেবানের হামলায় তাদের কমপক্ষে ৩ সীমান্তরক্ষী নিহত হয়েছেন। এই ঘটনার পর আফগানিস্তান-ইরান সীমান্তের সর্ববৃহৎ বাণিজ্যিক পথ মালিক বর্ডার ক্রসিং অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

দুই দেশের সীমান্ত বাহিনীর মধ্যে এমন সময় এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটল, যখন ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি চলতি মাসের শুরুতে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, হেলমান্দ নদীর ওপর ইরানের যে অধিকার আছে তালেবান যেন সেটি খর্ব না করে।

যেখানে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে, সেখানকার সাধারণ মানুষ পালিয়ে যান।

জানা গেছে, তালেবানরা যেসব অস্ত্র ব্যবহার করেছে, সেগুলো যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর সেনারা ব্যবহার করত।

প্রসঙ্গত, ১৯৭৩ সালে আফগানিস্তান ও ইরানের মধ্যে হেলমান্দ নদী নিয়ে চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী, ইরানে প্রবেশ করা হেলমান্দ নদীর প্রবাহে কোনো বিঘ্ন ঘটাবে না আফগানিস্তান।

খবর : আরব নিউজ

এন