বাংলাদেশ ও ভারত সীমান্তের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) মহাপরিচালক পর্যায়ে বৈঠক শুরু হয়েছে।
শুক্রবার সকাল পৌনে ১১টায় বিজিবির সদর দফতরে এ বৈঠক শুরু হয়।
সীমান্ত এলাকায় নিরস্ত্র বাংলাদেশি নাগরিকদের গুলি করে হত্যা, মাদক পাচার, অপহরণ, সীমান্তবর্তী নদীর তীর সংরক্ষণসহ বেশ কিছু বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
আলোচনার বিষয়গুলো নিশ্চিত করেছেন বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহম্মদ মোহসিন রেজা।
তিনি জানান, বাংলাদেশিদের অপহরণ, আটক ও গুলি করে হত্যা করা নিয়ে আলোচনা চলছে এ বৈঠকে। একই সঙ্গে অবৈধভাবে আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম, অস্ত্র ও গোলা বারুদ পাচার সমস্যা সমাধানের বিষয়ও রয়েছে।
মোহসিন রেজা জানান, ভারত থেকে ফেনসিডিল, অ্যালকোহল, গাঁজা, হেরোইন এবং ভায়াগ্রা, সেনেগ্রা ট্যাবলেটসহ মাদক ও নেশাজাতীয় দ্রব্যের চোরচালান বন্ধের বিষয় অন্তর্ভূক্ত রয়েছে এ বৈঠকের এজেন্ডায়।
আন্তর্জাতিক সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে উন্নয়নমূলক নির্মাণ কাজ এবং উভয় দেশের সীমান্তে নদীর তীর সংরক্ষণ কাজে সহয়তার বিষয় উত্থাপন করা হবে বৈঠকে।
বৃহস্পতিবার বিকালে ভারত থেকে বিএসএফের মহাপরিচালক শ্রী দেবেন্দ্র কুমার পাঠকের নেতৃত্বে ১৯ সদস্যের একটি দল বাংলাদেশে এসেছে। তাদের সঙ্গে বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদের নেতৃত্বে ২৩ সদস্যের একটি দল রাজধানীর পিলখানা বিজিবি সদর দপ্তরের বৈঠকে বসেছে।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের স্বরাষ্ট্র-পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত রয়েছেন। এছাড়াও বাংলাদেশের যৌথ নদী কমিশন, মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, সার্ভে অব বাংলাদেশ, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও এতে অংশ নিয়েছেন।
সীমান্ত বিষয়ক এ বৈঠক ২৯ ডিসেম্বর যৌথ দলিল স্বাক্ষরের মধ্য সমাপ্তি ঘটবে। পরে ৩০ ডিসেম্বর ভারতের বিএসএফ মহাপরিচালকসহ অন্যান্য সদস্যরা বাংলাদেশ ত্যাগ করবেন।
কেএইচ





