বিজেপি সভাপতি ও ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছেন, আগামী ২০২৪ সালের মধ্যেই গোটা ভারতে জাতীয় নাগরিক নিবন্ধীকরণ বা এনআরসি করা হবে এবং প্রত্যেকে অনুপ্রবেশকারীকে এই দেশ থেকে বহিষ্কার করা হবে।
ঝাড়খণ্ডের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে গিয়েই জনসভার ভাষণে ওই ঘোষণা করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, খবর এনডিটিভি।
ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের এই এনআরসি প্রয়োগ নিয়ে অন্যান্য নানা রাজ্য সহ এ রাজ্যেও বিভিন্ন মানুষের মনে আশঙ্কার মেঘ ঘনিয়ে এসেছে।
অমিত শাহ বলেন, “আজ, আমি আপনাদের বলতে চাই যে ২০২৪ সালের নির্বাচনের আগেই এনআরসি সারাদেশে প্রয়োগ করা হবে এবং প্রত্যেকে অনুপ্রবেশকারীকে চিহ্নিত করে এই দেশ থেকে বহিষ্কার করা হবে।”
“রাহুল বাবা (কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধি) বলেছেন অনুপ্রবেশকারীদের বহিষ্কার করবেন না। কেননা তাঁরা কোথায় যাবেন, কী খাবেন? তবে আমি আপনাদের আশ্বাস দিচ্ছি যে ২০২৪ সালে দেশের জাতীয় নির্বাচনের আগেই সমস্ত অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিতাড়িত করা হবে”, চক্রধরপুর এবং ঝাড়খণ্ডের বাহরাগোড়ার জনসভায় বলেন তিনি।
অমিত শাহ বলেন, সন্ত্রাসবাদকে উৎখাত করা, মাওবাদ নির্মূল করা এবং অযোধ্যাতে একটি মহা রাম মন্দির নির্মাণ করার মতো জাতীয় ইস্যু দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ।
অযোধ্যা জমি বিবাদ মামলার কথা বলতে গিয়ে বিজেপি সভাপতি অভিযোগ করেন যে কংগ্রেস সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার শুনানি ব্যর্থ করার অনেক চেষ্টা করেছিল।
“কংগ্রেস নেতারা সুপ্রিম কোর্টে বলেন যে এই মামলার শুনানি করার দরকার নেই। অথচ আমরা আপনাদের (জনগণের) সমর্থন নিয়ে এই মামলা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিই, ফলস্বরূপ আদালত রায় দিয়েছে যে অযোধ্যায় রাম মন্দিরই নির্মাণ করা হবে”, এই কথাও বলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
পাশাপাশি ঝাড়খণ্ডের জনসভা থেকে বিজেপির প্রতিদ্বন্দ্বী জেএমএম-কংগ্রেস-আরজেডি জোটকেও তীব্র আক্রমণ করেন বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ।
মাত্র পাঁচ বছরের মধ্যে, নরেন্দ্র মোদি সরকার এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী রঘুবর দাস মাওবাদকে দমন করেছেন এবং এর ফলেই ঝাড়খণ্ডের উন্নয়নের পথ সুগম হয়েছে, বলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
এমবি





