শুক্রবার (১৫ ডিসেম্বর)কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার সাংবাদিক হানি মাহমুদ থেকে জানিয়েছেন, শহরটি ইসরায়েলি সেনাদের সঙ্গে হামাসের প্রচণ্ড গোলাগুলি হচ্ছে।
এর আগে খান ইউনিসে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থার পরিচালিত স্কুলে গোলাবর্ষণ করেছিল দখলদার ইসরায়েলি সেনারা। সেখানে বাস্তুচ্যুত হাজার হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছিলেন। ওই হামলায় এক ডজনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।
আলজাজিরা অ্যারাবিকের প্রকাশিত একটি ভিডিও প্রতিবেদনে দেখা গেছে, সেখানকার নাসের হাসপাতালের কাছে মরদেহ নিয়ে যাচ্ছেন নিহতদের আত্মীয়-স্বজনরা।
সাংবাদিক হানি মাহমুদ জানিয়েছে, আল নাসের হাসপাতালে আহত যেসব মানুষ সুস্থ হয়ে ছাড়া পেয়েছেন; তাদের বেশিরভাগই বাড়িতে গিয়ে দেখতে পেয়েছেন, তাদের বাড়ি ইসরায়েলের বিমান হামলায় ধ্বংস হয়ে গেছে।
এছাড়া খান ইউনিসে ধ্বংস হওয়া ভবনের নিচে অনেক মানুষ আটকা পড়ে আছেন। উদ্ধার অভিযান চালানোর মতো প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম না থাকায়; সেসব মানুষদের উদ্ধার করাও সম্ভব হচ্ছে না।
গত ৭ অক্টোবর হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হলেও গাজার দক্ষিণাঞ্চল ওই সময় হামলা থেকে অনেকটাই মুক্ত ছিল। কিন্তু ৩১ নভেম্বর অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার পর দক্ষিণাঞ্চলের খান ইউনিসকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে ইসরায়েল। তাদের দাবি এ শহরটিতে লুকিয়ে আছেন হামাসের হাইকমান্ডের নেতারা।
সূত্র: আলজাজিরা
এসএম





