মিশরের আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দেশটির সাবেক সেনাপ্রধান আব্দেল ফাত্তাহ আল-সিসিসহ ২ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে জানিয়েছে দেশটির নির্বাচন কমিশন।
রোববার কমিশন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে,এ নির্বাচনে সিসি’কে বামপন্থী রাজনীতিবিদ হামিদ সাবাহির মোকাবিলা করতে হবে। আগামী মাসে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য অন্য কোনো ব্যক্তি নাম তালিকাভুক্ত করেনি।
সাবাহি শনিবার নির্বাচন কমিশনে প্রার্থী হওয়ার জন্য আবেদন জানান। নিজের প্রার্থীতার পক্ষে ৩১,৫৫৫টি স্বাক্ষর সংগ্রহ করার পর তিনি এ আবেদন জানান। নির্বাচন কমিশনের আইন অনুযায়ী,প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রার্থীদেরকে অন্তত ২৫,০০০ ব্যক্তির সমর্থন নিয়ে নির্বাচন কমিশনে আবেদন জানাতে হয়। ২০১২ সালের যে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ইখওয়ানুল মুসলিমিন প্রার্থী মুহাম্মদ মুরসি বিজয়ী হয়েছিলেন তাতে সাবাহি তৃতীয় স্থান পেয়েছিলেন।
ইখওয়ান মিশরের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল হওয়া সত্ত্বেও মিশরের সেনা সমর্থিত অন্তর্বর্তী সরকার এটির তৎপরতা আবার নিষিদ্ধ করার কারণে দলটি আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী দিতে পারেনি। এর আগে সাবেক স্বৈরশাসক হোসনি মুবারকের শাসনামলে ইখওয়ানুল মুসলিমিনের তৎপরতা নিষিদ্ধ ছিল।
২০১৩ সালের ৩ জুলাই সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মুরসিকে ক্ষমতা থেকে উৎখাতকারী সাবেক সেনাপ্রধান সিসি আগামী ২৬ ও ২৭ মে অনুষ্ঠেয় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিজয়ী হবেন বলে ব্যাপকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। নিজের প্রার্থীতার পক্ষে ১,৮৮,৯৩০টি স্বাক্ষর সংগ্রহের পর গত ১২ এপ্রিল তিনি নির্বাচন কমিশনে আবেদন জানান। পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন,নির্বাচন যাতে প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন না হয় সেজন্য সরকারই সিসির প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে সাবাহিক দাঁড় করিয়েছে। কিন্তু এ নির্বাচনের ফলাফল কি হবে তা এখনই বলে দেয়া সম্ভব।
প্রবল গণআন্দোলনের মুখে ২০১১ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি সাবেক স্বৈরশাসক ও সেনা কর্মকর্তা হোসনি মুবারকের পতন হওয়ার পর দেশটির রাজনীতিবিদরা সেনাবাহিনীকে রাজনীতি থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়েছিলেন। কিন্তু ইসলামপন্থীরা বিপ্লব পরবর্তী সরকার গঠন করায় মার্কিন নেতৃত্বাধীন পশ্চিমা বিশ্ব ক্ষুব্ধ হয়। তারা আবার সেনাবাহিনীকে দিয়ে দেশটির সরকারে পরিবর্তন এনে মিশরে একটি সেক্যুলার সরকার প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করে। সে পরিকল্পনা অনুযায়ী ইসলামপন্থী প্রেসিডেন্ট মুরসিকে ক্ষমতাচ্যুত ও ইখওয়ানের হাজার হাজার নেতা-কর্মীকে হত্যা করা হয়। জেনারেল সিসি মিশরে পাশ্চাত্য ও ইসরাইলপন্থী আরেকজন হোসনি মুবারক হয়ে উঠতে যাচ্ছেন বলে বিশ্লেষকরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। সূত্র: আইআরআইবি।
[b]ঢাকা, ২১ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম) // কেএইচ
[/b]
মিশরে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন, সিসিসহ ২ প্রার্থীর নাম ঘোষণা
মিশরের আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দেশটির সাবেক সেনাপ্রধান আব্দেল ফাত্তাহ আল-সিসিসহ ২ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে জানিয়েছে দেশটির নির্বাচন কমিশন
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে বলে দাবি করা বাস্তবতার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়: জামায়াত
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা, বলপ্রয়োগ ও দলীয়করণের অভিযোগ তুলে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে বলে দাবি করাকে বাস্তবতার সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি এসব ঘটনার তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
শপথ পেছানোর চক্রান্ত ইসরাইলে আরব ভোট বাড়াতে কাতার-তুরস্কের অর্থায়নের অভিযোগ
ইসরাইলের নির্বাচনে আরব জনগোষ্ঠীর ভোটার উপস্থিতি বাড়াতে কাতার ও তুরস্কসহ বিদেশি পক্ষগুলো অর্থ জুগিয়েছে কি না, তা তদন্ত করছে দেশটির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেত। নির্বাচনে বিদেশি অর্থায়ন ও হস্তক্ষেপের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের প্রধান ও সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নোয়াম সোলবার্গ।
ঠাকুরগাঁওয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে, উদ্বেগের কারণ নেই: ইসি সচিব
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। তিনি বলেছেন, ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্বাচনী এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনকারী নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের দেওয়া হয়েছে বডিওন ক্যামেরা।
ঠাকুরগাঁওয়ের নির্বাচনে কারচুপি হলে দেশজুড়ে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি ১১ দলের
আগামীকাল ঠাকুরগাঁও-১ আসনের নির্বাচন সুষ্ঠু না হলে সারাদেশে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়বে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১-দলীয় জোটের সমন্বয়ক এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ।
ইউপি নির্বাচন: ইসির ক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে, নেওয়া হচ্ছে বেশকিছু পদক্ষেপ
শুধু একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন নয়, বরং ভবিষ্যতের সব নির্বাচন একই মানদণ্ডে আয়োজনের টেকসই সংস্কৃতি গড়ে তোলাই নির্বাচন কমিশনের (ইসি) মূল লক্ষ্য। একথা বলেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
















