বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে সামরিকায়িত অঞ্চল জম্মু-কাশ্মীর। ভারত সরকারের সংবিধানের ৩৭০ ও ৩৫-ক অনুচ্ছেদ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তকে ঘিরে কার্যত থমকে গেছে এই অঞ্চলের অর্থনীতি, যোগাযোগ ব্যবস্থা থেকে শুরু করে সবকিছু।

হিমালয়ের এই উপত্যকা অঞ্চলে জারি করা হয়েছিল ১৪৪ ধারা। তবে বৃহস্পতিবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাষণের পর এখানকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে দিল্লি সরকার। তারই অংশ হিসেবে আজ খুলছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি অফিস।

ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, আজ শুক্রবারের জুমার নামাজ আয়োজনকে ঘিরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে কাশ্মীর উপত্যকার প্রশাসন। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানান, জম্মু-কাশ্মীরে ভোট হবে। সেখানকার মানুষ বিধায়ক-মুখ্যমন্ত্রী পাবেন। ঈদে বাড়ি ফেরার সুযোগ পাবেন প্রবাসী কাশ্মীরিরা। উপত্যকায় হবে উন্নয়ন, আসবে বিনিয়োগ। এ ছাড়া রাজ্যের মর্যাদাও আবার ফিরে পাবে জম্মু-কাশ্মীর।

নরেন্দ্র মোদি তাঁর ভাষণে আশ্বাস দেন, আগামী সোমবার ঈদের সময়ে কাশ্মীরের বাইরে থাকা মানুষ ঘরে ফিরতে পারবেন। সরকার তাঁদের সব রকম সাহায্য করবে। কাশ্মীরের পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলেও আশ্বাস দেন মোদি।

আজ থেকেই কাশ্মীর উপত্যকার সরকারি দপ্তরগুলো খুলছে। জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসনের পক্ষ থেকে এক বিবৃতি জারি করে শ্রীনগরে প্রশাসনিক স্তরের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাজে যোগদানের জন্য রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে।

এ ছাড়া জেলা, ডিভিশন ও সিভিল সচিবালয়ের প্রত্যেক কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আজ থেকেই জরুরি ভিত্তিতে কাজে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গতকাল দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানান, কাশ্মীরে শান্তি ফেরানোই ভারত সরকারের মূল লক্ষ্য।


জেড