ফিলিস্তিনের পশ্চিত তীরে হামাস সদস্যসহ ১২০ জনকে গ্রেফতার করেছে ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষের আইনশৃঙক্ষলা বাহিনী। গত দু'দিন তাদেরকে গ্রেফতার করার ফলে প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে আন্দোলনের সম্ভবনা দেখা দিয়েছে।
হামাস কর্মকর্তারা জানিয়েছে, ১০০ সদস্যদেরকে আটকের এক দিন পর শনিবার কমপক্ষে আরো ২০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
হামাসের পক্ষ থেকে অভিযোগ করেছে যে এই গ্রেফতার অভিযানে তাদের সদস্য ছাড়াও শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী ও আগে আটক হওয়া ব্যক্তিদেরকে গ্রেফতার করা হচ্ছে।
শুক্রবার আটককৃত ব্যক্তিদের মধ্যে সাংবাদিক খালদুন মাজলুমও রয়েছেন। তার স্ত্রী ইবতিহাল মানসুর বলেছেন, মধ্যরাতের কিছুক্ষণ পরই তাকে বাসা থেকে নিয়ে যায় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা।
মানসুর বলেন, "তাকে এই প্রথমবার আটক করা হয়নি। তার লেখা বিষয়গুলো নিয়ে সব সময় অভিযুক্ত করা হয়।"
নিরাপত্তা কারণ:
ফিলিস্তিন নিরাপত্তা সার্ভিসের মুখপাত্র আদনান আল দামিরি জানিয়েছেন যে রাজনৈতিক নয়, নিরাপত্তার কারণে এই গ্রেফতার অভিযান চালানো হয়েছে।
তিনি বলেন, "পশ্চিম তীরকে হত্যাযজ্ঞের মধ্যে ছড়িয়ে দেয়া আমরা মেনে নিব না। হামাসের তীব্রতা বৃদ্ধির কারণেই যুদ্ধ হয়।"
পশ্চিম তীর নিয়ন্ত্রণ করে প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস নেতৃত্বাধীন ফাতাহ। অন্যদিকে তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী হামাস গাজা অংশ নিয়ন্ত্রণ করে।
একটি ঐক্যের সরকার গঠন করতে গত বছর প্রেসেডিন্ট আব্বাস আনুষ্ঠানিকভাবে হামাসের সঙ্গে বিরোধ মিটিয়ে ফেলেন। তবে তাদের মধ্যে এখনও অবিশ্বাস রয়ে গেছে।
হামাস মুখপাত্র সামি আবু জুহরি এই গ্রেফতারের নিন্দা জানিয়েছেন এবং এটা বন্ধন সৃষ্টির প্রচেষ্টায় বাধা হিসেবে দেখছেন।
তিনি বলেন, "ইসরাঈল ও ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষের মধ্যে নিরাপত্তা সমন্বয়ের অংশ হিসেবে এই গ্রেফতার অভিযান চলছে।"
এদিকে ইসরাঈলের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র বলেছেন যে গ্রেফতার সম্পর্কে তাদের কাছে কোনো তথ্য নাই।
ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষের জেল থেকে আটককৃতদের মুক্তির দাবিতে শনিবার সকালে হামাসের বিপুল সংখ্যক সমর্থক বিক্ষোভ করেছেন।
জেডআই





