মার্কিন ভোটাররা মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোট দিচ্ছেন। দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল নির্বাচন এটি। এ নির্বাচন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার জন্য যেন গণভোট।
এ নির্বাচনের ওপরই ওবামা প্রশাসনের পরবর্তী দুই বছরের ভাগ্য নির্ভর করছে। ২০১৬ সালে দেশটিতে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তার আগে ক্ষমতাসীন নেতৃত্বের জয়প্রিয়তা পরখ করতেই দেশটিতে ঐতিহ্যগতভাবে মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রে ৩৮ বার মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আর এর মধ্যে ৩৫ বারই হেরেছে ক্ষমতাসীন দল। এদিক থেকে সোমবারের মধ্যবর্তী নির্বাচন ব্যাপক গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বিরোধী রিপাবলিকানরা সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারলে আটকে যেতে পারে ওবামা প্রশাসনের সব পরিকল্পনা।
কংগ্রেসের (পার্লামেন্ট) নিম্নকক্ষ তথা হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভের নিয়ন্ত্রণ ইতোমধ্যে রিপাবলিকানদের হাতে রয়েছে। আর সিনেটেও ক্ষমতাসীন ডেমোক্র্যাট থেকে তারা মাত্র পাঁচ আসন পিছিয়ে রয়েছে। অর্থাৎ আর মাত্র ছয়টি আসন বেশি পেলেই সিনেটের নিয়ন্ত্রণ চলে যাবে রিপাবলিকানদের হাতে।
সর্বশেষ জরিপ বলছে, পর পর দুইবারের প্রেসিডেন্ট ওবামার জয়প্রিয়তা আগের চেয়ে ৪০ শতাংশের বেশি পড়ে গেছে। তাই এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কারা বিজয়ী হয় এবং ২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য কাদের পথ পরিষ্কার হয় সেটা জানতে বিশ্ববাসীকে একটু অপেক্ষা করতে হবে।
সোমবারের নির্বাচনে দেশটির কংগ্রেসের উচ্চ কক্ষ সিনেটের ১০০টি আসনের মধ্যে ৩৬টি, হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভের মোট ৪৩৫টি, ৫০টি স্টেট গভর্নরের মধ্যে ৩৬টি এবং অসংখ্য স্টেট ও স্থানীয় পর্যায়ের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।সূত্র: বিবিসি
এসএইচ





