থাইল্যাণ্ডের সেনাবাহিনী প্রধান দেশের সংকট নিরসনে প্রতিদ্বন্দী রাজনৈতিক দলগুলোকে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছেন। সাত মাসব্যাপী সরকার বিরোধী বিক্ষোভ চলার পর মঙ্গলবার দেশটিতে সামরিক শাসন জারি হওয়ার কয়েক ঘন্টা পর তিনি এ আহ্বান জানান। সেনাপ্রধান জেনারেল প্রাইউথ চ্যান-ও-চা বলেন, ‘আমরা উভয় পক্ষকে আলোচনার টেবিলে নিয়ে আসার প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছি, কিন্তু পরিস্থিতি এখনো স্বাভাবিক হয়নি। তাই দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সামরিক আইন জারি করতে হয়েছে।’ রাজনৈতিক সংকট বৃদ্ধি পেতে থাকায় রক্তক্ষয়ী সহিংতা ছড়িয়ে পড়ার আশংকার প্রেক্ষাপটে সেনাপ্রধান সকল পক্ষকে সংঘর্ষ পরিহারের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরে আসার পর সামরিক শাসন প্রত্যাহার করে নেয়া হবে। তিনি এটা কোনো সামরিক অভ্যুত্থান নয় বলে মন্তব্য করেন। থাইল্যাণ্ডের রাজনীতি বর্তমানে স্পষ্টত দু’ভাগে বিভক্ত। একদিকে রয়েছেন ক্ষমতাচ্যুত ও স্বেচ্ছায় নির্বাসিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রা এবং তার সমর্থক দেশের উত্তর ও উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় গ্রামগুলোর বাসিন্দারা। অপর পক্ষে রয়েছে রাজধানী ব্যাংকক-ভিত্তিক জনগোষ্ঠী ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং তাদের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজতন্ত্রপন্থী সমর্থক গোষ্ঠী যারা থাকসিনকে অত্যন্ত অপছন্দ করে এবং থাই রাজনীতিতে তার প্রভাবের অবসান চায়। থাইল্যান্ডে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর থেকে সহিংসতায় এ পর্যন্ত ২৮ জন নিহত এবং অসংখ্য লোক আহত হয়েছেন। ব্যাংককের ঐতিহাসিক কেন্দ্রস্থলে ১৫ মে এক রাজনৈতিক সমাবেশে অজ্ঞাত সন্ত্রসীরা বন্দুক ও গ্রেনেড হামলা চালালে ৩ ব্যক্তি নিহত হন। প্রাইউথ বলেন, ‘সেনাবাহিনী আর কোনো প্রাণনাশ সহ্য করবে না।’ তিনি কোনো সেনা অভ্যুত্থান ঘটাতে চান কিনা এমন এক প্রশ্নের জবাবে প্রাইউথ বলেন, ‘এতো সহজে উপসংহারে পৌঁছবেন না।’ দেশটিতে এ পর্যন্ত ২০ টির কাছাকাছি সফল সেনা অভ্যুত্থান বা তার চেষ্টা হয়েছে। সূত্র: এএফপি। [b]ঢাকা, ২০ মে (টাইমনিউজবিডি.কম) // টিআই [/b]
আন্তর্জাতিক
থাইল্যান্ডে প্রতিদ্বন্দী দলগুলোকে আলোচনায় বসার আহ্বান সামরিক বাহিনীর
থাইল্যাণ্ডের সেনাবাহিনী প্রধান দেশের সংকট নিরসনে প্রতিদ্বন্দী রাজনৈতিক দলগুলোকে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছেন। সাত মাসব্যাপী সরকার বিরোধী বিক্ষোভ চলার পর মঙ্গলবার দেশটিতে সামরিক শাসন জারি হওয়ার কয়েক ঘন্টা পর তিনি এ আহ্বান জানান





