তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগানের ক্ষমতা-বৃদ্ধি প্রস্তাবের ওপর গণভোটের ফলাফল নিয়ে চ্যালেঞ্জ করেছে প্রধান বিরোধী দল সিএইচপি। ঐ ফলাফল বাতিল করার জন্য তারা নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

সিএইচপি দলের উপ-চেয়ারম্যান বুলেন্ত তেজকান বলেন, গণভোটে কারচুপি হয়েছে বলে যেসব অভিযোগ উঠেছে, সে সম্পর্কে আইনগত শঙ্কা দূর করতে হলে ফলাফল বাতিল করাই একমাত্র পথ।

গণভোটে কোনো রকমে উৎরে গেছেন প্রেসিডেন্ট এরদোগান। একান্ন শতাংশের সামান্য কিছু বেশি ভোট পেয়েছেন তিনি।

কিন্তু দেশের সবচেয়ে বড় তিন শহর- আঙ্কারা, ইস্তাম্বুল এবং ইজমিরে তিনি হেরেছেন।

গণভোটে প্রস্তাবের বিরোধিতাকারীরা বলছেন, ভোটে ব্যাপক অনিয়মের হয়েছে- এমনকি নির্বাচন কমিশনের সিল ছাড়া ব্যালট পেপার গণনার সময় বৈধ বলে গৃহীত হয়েছে।

ভোটের ফলাফল নিয়ে তুরস্কের সবচেয়ে বড় শহর ইস্তাম্বুলে প্রতিবাদ বিক্ষোভ হয়েছে।

একজন সিনিয়র সাংবাদিক এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষক সেরকান দেমিরতাস বলেছেন, তুরস্কের সমাজ ও রাজনীতিতে যে মেরুকরণ রয়েছে, এই গণভোটের পর তা আরো তীব্র হবে বলে তিনি ধারণা করছেন।

গণভোটে একে পার্টি এবং এরদোগান কোনো রকমে জিতলেও, কর্তৃত্ব অব্যাহত রাখা তাদের জন্য কঠিন হবে বলে তার মনে হচ্ছে।

গণভোটর ফলাফল নিয়ে আঙ্কারায় সাংবাদিক সরওয়ার আলম বলেন, এই রায়ের মধ্য দিয়ে এমনকি একে পার্টির সমর্থকরা সরকারকে একটি বার্তা দিয়েছে। আর সেটি হলো তারা একে পার্টিকে সমর্থন করলেও, দলের ক্ষমতাবৃদ্ধিকে তারা সুনজরে দেখছেন না।

সূত্র: বিবিসি

এমই