একজন নারীকে ধর্ষণের ঘটনায় তিউনিসিয়ার দুই পুলিশ অফিসারকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির আদালত।
২০১২ সালের সেপ্টেম্বরের এ ঘটনায় ৩ পুলিশ অফিসার বিচারের মুখোমুখি হয়েছিলেন। ধর্ষণের ঘটনাটি বিশ্ব সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল।
অভিযুক্ত দুই পুলিশ সদস্য ধর্ষণের বিষয়টি আদালতে অস্বীকার করেছেন। উল্টো তারা বলেছেন, নারীটি তাদের সাথে যৌন মিলন করতে চেয়েছিল।
অভিযুক্ত পুলিশরা বলেছেন, তিউনেশিয়ার একটি উপশহরে গাড়ির ভেতর মরিয়ম বিন মুহাম্মদ (ছদ্মনাম) এবং তার ছেলে বন্ধু অভিসারে লিপ্ত ছিলেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, এরপর তারা নারীটিকে একটি পুলিশের গাড়িতে নিয়ে যায় এবং ২ জন পুলিশ পালাক্রমে ধর্ষণ করে। নারীটির বন্ধুকে একটি ব্যাংকের ক্যাশপয়েন্টে নিয়ে গিয়ে জোর করে টাকা আদায়ের চেষ্টা করে তৃতীয় পুলিশ অফিসার। জোর করে টাকা আদায়ের চেষ্টার ঘটনায় ঐ পুলিশ সদস্যকে ২ বছরের জেল দিয়েছে আদালত।
ধর্ষিতা নারীর আইনজীবী রাধাইয়া নাসরাওই বার্তাসংস্থা এএফপি'কে বলেন, অভিযুক্তরা "সব কিছু অস্বীকার করেছে"। একজন অভিযুক্ত পুলিশ উল্টো বলেছে যে, নারীটি তাদের সাথে ওরাল সেক্স করতে চেয়েছে।
সোমবার রায়ের পর আইনজীবী রাধাইয়া নাসরাওই বলেন, নারীটি 'খুবই হতাশ' এবং সে মনে করে রায়টি বেশ "নরম"। সূত্র: আলজাজিরা
[b]ঢাকা, ১ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডিডটকম) // টিআই[/b]
আন্তর্জাতিক
ধর্ষণের ঘটনায় ২ পুলিশের ৭ বছরের জেল
একজন নারীকে ধর্ষণের ঘটনায় তিউনিসিয়ার দুই পুলিশ অফিসারকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির আদালত। ২০১২ সালের সেপ্টেম্বরের





