কয়েকটি বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) নেপালের মুসলিম নারীদের গর্ভপাত এবং গর্ভনিরোধের জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করতে বাধ্য করা হচ্ছে।
নেপালের কয়েকজন মুসলিম নেতা এ অভিযোগ করেছেন।
নেপালের বাঙ্কি জেলার মুসলিম নেতা হাসান মিয়া বলেন, মানবিক সাহায্যের নাম করে কিছু এনজিও দারিদ্র প্রবণ জেলাগুলোর মুসলিম নারীদের ওপর গর্ভপাত এবং জন্মনিরোধক পদ্ধতি জোর করে চাপিয়ে দিচ্ছে।
তিনি জানান, দরিদ্র এসব নারীরা এ এনজিওগুলোর কাছে যায়। কারণ তারা এসব সংস্থা থেকে থেকে মানবিক সাহায্য পায় এবং তাদের ছেলেমেয়েদেরকে বিনা বেতনে স্কুলে ভর্তি করতে পারে।
হাসান মিয়া বলেন, কেউ যদি এনজিওর কথায় সম্মত না হয়, তাহলে তাকে মানবিক সাহায্য দেয়া হয় না এবং তার ছেলেমেয়েকে স্কুলে ভর্তি করানো হয় না।
‘এটা আসলে একটা ঘৃণ্য পদ্ধতি যেটা আমাদের ধর্মীয় বিশ্বাসের সঙ্গে যায় না এবং তারা দারিদ্র্যের সুযোগ নিয়ে আমাদেরকে শোষণ করছে’অভিযোগ করেন তিনি।
হিন্দু অধ্যুষিত দেশটিতে মুসলমানদের নাজুক অবস্থার কথা উল্লেখ করে এই মুসলিম নেতা বলেন, ‘আমার মতে- দেশটির সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে এটা একটা ষড়যন্ত্র।’
একই ধরনের বেশ কিছু অভিযোগ এশিয়া নিউজসহ বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে এসেছে।
নেপালের স্বাস্থমন্ত্রী গোপাল পারাজুলি বিষয়টি তদন্ত করে দেখার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, এনজিওগুলো যদি আইন মেনে চলে এবং সমাজ যদি তাদেরকে গ্রহণ করে তবেই তারা নেপালে কাজ করতে পারবে।
ঢাকা, ৩০ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, কেএইচ





