রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ক্রেমলিনপন্থী যোদ্ধাদের ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে অগ্রাভিযানে অভিনন্দন জানিয়েছেন। এদিকে কিয়েভের ভাষায় ‘রুশ আগ্রাসনের’ এ ঘটনায় ন্যাটোর রাষ্ট্রদূতরা একটি ‘সংকটকালীন বৈঠক’ করছেন।

এর আগে ন্যাটো বলেছিল ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে সরকারি বাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহীদের একটি ঝটিকা পাল্টা অভিযানে সহায়তায় সেখানে রুশ বাহিনীর অন্তত এক হাজার সৈন্য যুদ্ধ করছে। তবে রাশিয়া বারবার ইউক্রেনে তার সৈন্যের উপস্থিতির কথা অস্বীকার করে এসেছে।

ভ্লাদিমির পুতিন বিদ্রোহীদের ‘নতুন রাশিয়ার রক্ষক’ উল্লেখ করে তাদের প্রতীকীভাবে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

পশ্চিমা বিশ্ব এ ঘটনার ‘পরিণতি’ সম্পর্কে সতর্ক উচ্চারণ করেছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেছেন, এটি স্পষ্ট যে রাশিয়ার বাহিনী ইউক্রেনের বিদ্রোহীদের সরকার বিরোধী আক্রমণে সহায়তার জন্য যুদ্ধ করছে।

তিনি বলেন, ‘রাশিয়া পরিকল্পিতভাবেও বারবার ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগলিক অখন্ডতা লংঘন করেছে। আর ইউক্রেনের ভেতরে রুশ বাহিনীর নতুন চেহারা বিশ্ববাসীর দেখার জন্য পরিষ্কার করে তুলেছে।’

তিনি বলেন,‘ইউক্রেনের অভ্যন্তরে রাশিয়ার এই চলমান আগ্রাসনের জন্য রাশিয়াকে আরো মূল্য দিতে হবে এবং আরো খারাপ পরিণতি বয়ে আনবে।

পুতিন এক বিবৃতিতে কিয়েভের অগ্রযাত্রা থামিয়ে দেয়ার জন্য বিদ্রোহীদের প্রশংসা করে বলেন, ‘আমি বিদ্রোহী বাহিনীর প্রতি ঘেরাও হয়ে পড়া ইউক্রেন সৈন্যদের জন্য একটি মানবিক করিডোর খোলার আহ্বান জানাই যাতে করে অপ্রয়োজনীয় প্রাণহানি এড়ানো যায় এবং ওই অঞ্চল থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেয়ার সুযোগ পায়।

শীর্ষ বিদ্রোহী নেতা আলেক্সান্দর জাকারচেঙ্কো পুতিনের আবেদনে সম্মতি প্রকাশ করে রাশিয়ার টেলিভিশনকে বলেন, ভ্লাদিমির পুতিনের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে তার সৈন্যরা কিয়েভ বাহিনীকে অস্ত্রসমর্পণ সাপেক্ষে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেয়ার সুযোগ দিতে রাজি হবে। সূত্র: এএফপি

ঢাকা, ২৯ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, টিআই