ইরাকের ইসলামী যোদ্ধারা আরও দুটি নতুন শহর দখল করেছে। এর মাধ্যমে রাজধানী বাগদাদের দিকে অগ্রসরের হুমকির পর দেশটিতে বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণ আরও বিস্তৃত হল। এদিকে, সামারা নগরী দখলের প্রস্তুতি নিচ্ছে সশস্ত্র যোদ্ধারা। খবর বিবিসির।
সুন্নি বিদ্রোহীরা দিয়ালা প্রদেশের সাদিয়া ও জালালা শহর এবং এর পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোর দিকে অগ্রসর হয়েছে। এ সময় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা তাদের নিরাপত্তা চৌকিগুলো থেকে পালিয়ে যায়।
যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইরাককে সহায়তার জন্য ‘সামরিক পদক্ষেপ’সহ সম্ভাব্য সব ধরণের উপায় খোঁজা হচ্ছে।
বিদ্রোহীদের হাতে মসুল ও তিকরিত নগরী পতনের পর যুক্তরাষ্ট্র ইরাক কর্তৃপক্ষকে সাহায্যের এ অঙ্গীকার করলো।
আল-কায়েদার শাখা ইসলামিক স্টেট অব ইরাক অ্যান্ড দ্য লেভান্ট (আইএসআইএল) নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহীরা বাগদাদ এবং দক্ষিণাঞ্চলের শিয়া মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকাগুলোর দিকে অগ্রসরের হুমকি দিয়েছে।
এর আগে বিদ্রোহীরা রামাদি, ফালুজা ও তেল শোধনের জন্য বিখ্যাত শহর বাজির দখল করে। সুন্নি এই সশস্ত্র সংগঠনের তিন থেকে পাঁচ হাজার যোদ্ধা রয়েছে। শিয়া প্রধানমন্ত্রী মালিকির সরকার ও সংখ্যালঘু সুন্নি সম্প্রদায়ের মধ্যে দ্বন্দ্বের সুযোগে তারা একের পর এক শহর দখল করছে।
এদিকে, ইরাকের সামারা নগরী দখলে নতুন চেষ্টা চালাতে বিদ্রোহীরা শুক্রবার জড়ো হচ্ছে। নগরীটিতে শিয়াদের একটি মাজার রয়েছে। ২০০৬ সালে এই মাজারে বোমা হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে জাতিগত সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে।
দার এলাকার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাতের বেলা তারা সশস্ত্র যোদ্ধাবাহী অসংখ্য যানবাহন দেখতে পেয়েছেন। যানবাহনগুলো দক্ষিণ দিকে যাচ্ছে। এলাকাটি তিকরিত ও সামারার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত।
সামারার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নগরীর উত্তর, পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বন্দুকধারীরা জড়ো হচ্ছে। উল্লেখ্য, নগরীটি বাগদাদ থেকে মাত্র ১১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। সূত্র: বিএসএস
ঢাকা, ১৩ জুন (টাইমনিউজবিডি.কম) //এমএ





