মঙ্গলবার এ আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তারা বলেছে, ওয়াশিংটন আশা করে ওয়াং ই এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করবেন। যেহেতু এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ওয়াং ই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন কিনা সে বিষয়টি নিশ্চিত নয়, তাই সম্ভাব্য সফরের সুনির্দিষ্ট তারিখও জানা যায়নি। এর আগে ওয়াং ই’র পূর্বসূরি ক্ষমতাচ্যুত পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিন গাংকে এই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। এ খবর দিয়েছে অনলাইন আল জাজিরা।
মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার বলেছেন, এর আগে আমরা চীনের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিন গাংকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম। সেই আমন্ত্রণ এখন আমরা বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে জানাচ্ছি। পরিষ্কার করে বলছি যে, নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই’কে সেই আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চীনের সিনিয়র একজন কূটনীতিক ইয়াং তাওকে আপ্যায়িত করেছিলেন মার্কিন কর্মকর্তারা।
যুক্তরাষ্ট্রে এর আগে চীনের রাষ্ট্রদূত ছিলেন কিন গাং।
পরে তাকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বানানো হয়। কিন্তু ২৫শে জুন থেকে ২৫শে জুলাই পর্যন্ত একমাস তাকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। ফলে নানা জল্পনা ছড়িয়ে পড়ে। শোনা যায়, একজন টিভি উপস্থাপিকার সঙ্গে তার প্রেম আছে। কিন্তু বিষয়টি নিশ্চিত করে কেউ বলতে পারেন না। আকস্মিক কোনো কারণ ব্যাখ্যা না করে ২৫শে জুলাই তাকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়। তার স্থানে আসেন ৫৭ বছর বয়সী ওয়াং ই। চীনের কমিউনিস্ট পার্টির পররাষ্ট্র বিষয়ক কমিশন অফিসের পরিচালক তিনি।
বিশ্লেষকরা বলেন, চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এই পরিবর্তন চীনের নীতি বা ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাদের সম্পর্কে তেমন কোনো বড় প্রভাব ফেলবে না বলেই মনে হচ্ছে। ওয়াশিংটন ডিসিতে থিংক ট্যাংক স্টিমসন সেন্টারের চায়না প্রোগ্রামের পরিচালক ইয়ুন সান বলেছেন, কিন গাংয়ের স্থানে ওয়াং ই’কে পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিয়োগ দেয়ায় বেইজিংয়ের অব্যাহত ধারা বজায় রাখার বিষয়টিই গুরুত্ব পেয়েছে। এক্ষেত্রে তিনি একটি নিরাপদ বাছাই। অস্থিতিশীলতার সময়ে তিনি গতিপথ নির্ধারণ করছেন।
গত মাসে ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠিত আসিয়ান সম্মেলনের পাশাপাশি ওয়াং ই’র সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন। তখনও ওয়াংকে মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়নি।
এনএইচ





