অস্ট্রেলিয়ার সিডনি ও ব্রিসবেনে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে অন্তত ১৫ জনকে আটক করা হয়েছে। এটি দেশটির সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান বলে মনে করা হচ্ছে।
খবরে বলা হয়েছে, কমপক্ষে ৮০০ সশস্ত্র পুলিশ ওই দুটি শহরের বেশ কিছু স্থাপনায় বৃহস্পতিবার ভোরে অভিযান চালায়। অস্ট্রেলিয়ায় সহিংস ঘটনার পরিকল্পনা হচ্ছে গোয়েন্দাদের এমন আশঙ্কা থেকে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ইরাক ও সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেট যোদ্ধাদের অগ্রগতিতে সন্ত্রাসী হামলার ঝুঁকিতে আছে অস্ট্রেলিয়া।
পুলিশ বলেছে, সিডনির পশ্চিম অংশ ও ব্রিসবেনের দক্ষিণ অংশে অভিযান চলছে। অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেল পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার অ্যান্ড্রিউ কোলভিন জানান, গোয়েন্দা তথ্যে জানা গেছে, অস্ট্রেলিয়ায় সহিংসতার পরিকল্পনা হচ্ছে।
এদিকে, আটকদের সঙ্গে আইএস যোদ্ধাদের কোনো সম্পর্ক আছে কিনা তা স্পষ্ট করেনি পুলিশ। দেশটির সিডনি মর্নিং হেরাল্ডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিডনির একটি অংশে আইএস পতাকা বহনকারী একটি গাড়ি থেকে মানুষ হত্যার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। স্থানীয় এক যাজকের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, গাড়ি থেকে খ্রিস্টানদের মেরে ফেলার হুমকি দেয়া হয়।
কর্মকর্তারা বলছেন, বেশ কিছু অস্ট্রেলিয়ান মধ্যপ্রাচ্যে ইসলামিক স্টেট কিংবা নুসরা ফ্রন্টের পক্ষে যুদ্ধ করতে গেছে। যুদ্ধে যাওয়া এ সব ফেরত আসা যোদ্ধা ও তাদের সমর্থকদের কারণে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন নিরাপত্তা কর্মকর্তারা।
মনে করা হয়, অন্তত ৬০ জন অস্ট্রেলিয়ান ইরাক ও সিরিয়ায় জিহাদি গ্রুপগুলোর পক্ষে যুদ্ধ করছে। চলমান যুদ্ধে এ পর্যন্ত ১৫ জন অস্ট্রেলিয়ান নিহত হয়েছে, যার মধ্যে দুইজন আত্মঘাতি বোমা হামলাকারী। কর্মকর্তারা বলছেন, অস্ট্রেলিয়ার প্রায় শতাধিক লোক ওই সব গ্রুপকে সমর্থন করে।
গত সপ্তাহে পুলিশ কুইন্সল্যান্ড শহরের একটি ইসলামিক সেন্টারে অভিযান চালিয়ে দুইজনকে আটক করে। সূত্র: বিবিসি।
ঢাকা, ১৮ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, কেএইচ





