মহাশূন্যের কক্ষপথে ৯টি নিজস্ব কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠানোর পরিকল্পনা নিয়ে এগুচ্ছে ইরান।
ইসলামী এই দেশটিতে আগামীকাল শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) পালন করা হবে জাতীয় মহাশূন্য প্রযুক্তি দিবস। ২০০৮ সালের এই দিনে ইরান মহাকাশে পাঠিয়েছিল তার প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ ‘উমিদ’ (‘আশা’)।
ইরানের ষষ্ঠ উন্নয়ন পরিকল্পনায় ২০২২ সাল নাগাদ পুরোপুরি নিজস্ব প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ পৃথিবীর কক্ষপথে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল।
এরই আলোকে ২০১৬ সালে 'পার্স-এক' উপগ্রহ নির্মাণের কাজ শুরু করে ইরান। দূর থেকে নানা ধরনের বৈজ্ঞানিক পরিমাপের কাজে ব্যবহার করা হবে এই উপগ্রহ। উৎক্ষেপণের অপেক্ষায় রয়েছে এ উপগ্রহ।
এ ছাড়াও ইরান 'দুস্তি' (বন্ধুত্ব), 'নাহিদ-এক', 'নাহিদ-দুই', 'পায়াম' (বার্তা)' 'তুলু' (উদয়), 'মেজবাহ-দুই' (প্রদীপ-২), 'জোফ্র' ও 'সোহা' নামের কৃত্রিম উপগ্রহগুলোকে মহাশূন্যে পাঠানোর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।
ইরান 'উমিদ' নামের কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠানোর পর মহাশূন্যের কক্ষপথে এ পর্যন্ত 'সাফির' (দূত), 'রাসাদ' (পর্যবেক্ষণ), 'নাভিদ' (সুসংবাদ) ও ‘ফজর’ (ভোর) নামের কৃত্রিম উপগ্রহগুলো পাঠাতে সক্ষম হয়েছে।
এমবি





