চীনের সামরিক শক্তি এখন সর্বজনবিদিত। সামরিক শক্তির দিক থেকে চীন এখন আমেরিকাকে পাল্লা দেওয়ার যোগ্যতা রাখে বলে অনেক বিশ্লেষকের ধারণা। কিন্তু বার্তা সংস্থা এএফপি'র এখন অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে এসেছে চমকপ্রদ খবর।
এএফপি'র প্রতিবেদনে উঠে এসেছে চীনের সামরিক শক্তি জোরদার করতে সহায়তা দিচ্ছে ইউরোপ। চীনকে অস্ত্র ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দিচ্ছে ইউরোপের দেশগুলো।
এতে বলা হয়, চীনের বিমানবাহিনী ফ্রান্সের ডিজাইনকৃত হেলিকপ্টারের উপর নির্ভরশীল। দক্ষিণ চীন সাগরে বেইজিংয়ের দাবিকৃত বিশাল এলাকায় টহলদারী চীনের সাবমেরিন ও ফ্রিগেটগুলো জার্মানি ও ফ্রান্সের ইঞ্জিনে চলে। বেইজিংয়ের সেনাবাহিনীর সঙ্গে প্রযুক্তির ‘দ্বৈত ব্যবহার’ (ডুয়েল ইউজ) বাণিজ্যের আওতায় এই প্রযুক্তি হস্তান্তর করা হয়।
চীনের প্রেসিডেন্ট ঝি জিংপিং চলতি মাসে ফ্রান্স সফরকালে তার দেশে এয়ারবাস ইসি-১৭৫ হেলিকপ্টারের উৎপাদন বাড়ানোর ঘোষণা দেন। বিশ্লেষকদের মতে চুক্তিটি মূলতঃ চীনের সেনাবাহিনীর কাছে প্রযুক্তি হস্তান্তরের জন্যই হয়েছে।
হংকংভিত্তিক এশিয়ান ডিফেন্স রিভিউ’র সম্পাদক অ্যান্ড্রে চ্যাং বলেছেন, চীনের সেনাবাহিনীর জন্য ইউরোপের রফতানি খুবই জরুরি। কারণ ইউরোপের প্রযুক্তি ছাড়া চীনের নৌবাহিনী চলতে পারবে না।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন ১৯৮৯ সালে তিয়ানআনমেন স্কয়ারে অনেক বিক্ষোভকারীকে হত্যার পর চীনের উপর অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। কিন্তু সদস্য দেশগুলোর এই নিষেধাজ্ঞা শিথিলভাবে ব্যাখ্যা করার স্বাধীনতা রয়েছে।
এ ধরনের রফতানি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মতবিরোধের সৃষ্টি করেছে। মানবাধিকার লংঘন ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কারণে যুক্তরাষ্ট্রও বেইজিংয়ে অস্ত্র রফতানি করে না।
তবে ইইউ’র একজন মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেন, অস্ত্র রফতানি করা বা না করার সিদ্ধান্ত নেয়ার দায়িত্ব হচ্ছে সদস্য দেশগুলোর। সূত্র: বিএসএস
[b]ঢাকা, ৩০ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি) //এমএ[/b]