যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাবেক আইনজীবী নির্বাচনী প্রচারণার সময় অর্থায়ন সম্পর্কিত আইন ভঙ্গ করার কথা স্বীকার করেছেন।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, মঙ্গলবার নিউ ইয়র্কের আদালতে আইনজীবী মাইকেল কোহেন তার অপরাধের কথা স্বীকার করেন।
কোহেন বলেন, তিনি ‘প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থীর’ নির্দেশনা অনুযায়ী ‘মূলত নির্বাচনকে প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে’ তিনি এই অপরাধ করেন।
এই স্বীকারোক্তিতে কোহেন প্রকৃতপক্ষে ট্রাম্পের রক্ষিতাদের মুখ বন্ধ রাখার জন্য টাকা দেয়ার কথা নিশ্চিত করলেন।
ট্রাম্প এখনো এবিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। মে মাসে তিনি স্বীকার করেছিলেন, তার প্রেমিকাদের একজনের মুখ বন্ধ করতে কোহেন যে টাকা দিয়েছিলেন, সেটা পরে আবার ট্রাম্প তাকে ফিরিয়ে দেন। কিন্তু, টাকা দেয়ার এই অভিযোগ আগে সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছিলেন ট্রাম্প।

মঙ্গলবার কোহেন আদালতে কর ফাঁকি ও ব্যাঙ্কে প্রতারণার আটটি অপরাধ করার কথা স্বীকার করেন। নিজের অপরাধ স্বীকার করায় কোহেনের কারাদণ্ড ৬৫ বছর থেকে কমিয়ে ৫ বছর তিন মাস করা হতে পারে।
গতকালই ভার্জিনিয়া রাজ্যের একদল জুরি কর ফাঁকির দায়ে ট্রাম্পের প্রচারণা ব্যবস্থাপক পল ম্যানাফর্টকে অপরাধী সাব্যস্ত করে।
কোহেন ও ম্যানাফোর্টের মামলার গতিপ্রকৃতি দেখে অনেকেই ধারণা করছেন- স্বয়ং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকেও এবার নির্বাচনী আচরণবিধি ও অন্যান্য আইন ভঙ্গের দায়ে কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হতে পারে।
দৃশ্যত ট্রাম্পের প্রতি ইঙ্গিত করে কোহেন আদালতকে বলেন, ‘ফেডারেল অফিসের একজন পদপ্রার্থীর’ নির্দেশে তিনি ফেডারেল ইলেকশনের আইন ভঙ্গ করেন।
আগামী ১২ ডিসেম্বর এই মামলার রায় দেয়া হবে। কোহেনকে পাঁচ লাখ ডলার জামানতে জামিনে মুক্তি দেয়া হয়েছে।
এসএম





