গলায় ছুরি ধরলেও ‘ভারত মাতা কি জয়’ বলবেন না– ভারতের মুসলিম নেতা আসাদউদ্দিন ওয়াইসির এই মন্তব্য নিয়ে বির্তকের অন্ত নেই। বিষয়টিকে আরো কদর্য করে তুলেছেন ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির এক নেতা। এআইএম আইএম প্রধানের জিভ কাটার জন্য এবার ১ কোটি রুপির ইনাম ঘোষণা করলেন উত্তরপ্রদেশের শ্যামপ্রকাশ দ্বিবেদী।
ওয়াইসি ‘বিশ্বাসঘাতক’, তার ভারতে থাকার কোরো অধিকারই নেই, এমনও বলেছেন তিনি। হায়দরাবাদের সংসদ সদস্য ওয়াইসির বিরুদ্ধে খড়্গহস্ত শিবসেনাও। দলের বক্তব্য, যাদের ভারত মাতার স্তুতি করতে এত আপত্তি, তাদের নাগরিকত্ব ও ভোটাধিকার ফিরিয়ে নেওয়া হোক!
সম্প্রতি নতুন প্রজন্মকে ভারত মাতার বন্দনার সুশিক্ষা দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত। তার পরেই লাতুরে এক সভায় ওয়াইসির চ্যালেঞ্জ, ‘গলায় ছুরি ধরলেও আমি কিছুতেই ওই স্লোগান দেব না! দেখি আপনি কি করেন ভাগবত সাহেব!’
‘সামনা’-র প্রশ্ন, তার পরেও তাকে কি করে ছেড়ে দিল দেবেন্দ্র ফড়নবিশ সরকার? ওয়াইসিদের মতো লোকেদের জন্য মুসলিম সম্প্রদায় পিছিয়েই থাকল– এমনও লেখা হয়েছে ‘সামনা’-র সম্পাদকীয়তে। এক্ষেত্রে কংগ্রেসকে পাশে পেয়েছে শিবসেনা। মহারাষ্ট্রে ওয়াইসির দলের ২ জন বিধায়ক আছেন। ওয়ারিস পাঠান এবং ইমতিয়াজ জলিল। বুধবার তাঁদের অপসারণ চেয়ে শিবসেনা, বি জে পি এবং এনসিপি-র সঙ্গে গলা মিলিয়েছে কংগ্রেস।
গতকাল বিধানসভায় পাঠান এবং জলিলকে কার্যত একঘরে করে দেয়া হয়। ওয়াইসির মন্তব্যের প্রেক্ষিতে লক্ষ্ণৌতে তার মিছিলের অনুমতি বাতিল করেছে সপা সরকার। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতেই। বুধবার রাজ্যসভায় বিদায়ী ভাষণে বারবার ‘ভারত মাতা কি জয়’ রব তুলে ওয়াইসিকে বার্তা দিয়েছিলেন জাভেদ আখতার।
এআইজে





