মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনান্ড ট্রাম্প হঠাৎ করেই শান্তিচুক্তি বাতিলের পর তালেবানদের পক্ষথে বলা হয়েছে আলোচনা বন্ধ করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে মূল্য পরিশোধ করতে হবে।

তালেবান মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ রোববার সন্ধ্যায় এক বিবৃতিতে বলেন, আমেরিকার আলো জানমালের ক্ষতি হবে, রাজনৈতিক নিস্পত্তিতে এর ভূমিকা আরো ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

এদিকে আলোচনায় যত সমঝোতার সম্ভাবনা জোরদার হচ্ছিল, তালেবান তাদের আক্রমণও তত শানিত করছিল। গত দুই সপ্তাহে তারা দেশটির উত্তর ও পশ্চিমে দুটি তিনটি নগরী (কুন্দুজ, পুল-ই-খুমরি) দখল করার চেষ্টা চালায়। এতে অনেক লোক হতাহত হয়।

তারা ২ সেপ্টেম্বর বিদেশী এনজিও ও কূটনীতিকদের জন্য নির্ধারিত আন্তর্জাতিক একটি কম্পাউন্ডের কাছে ট্রাক বোমা হামলা চালায়। এতে ১৬ জন নিহত ও অপর ১২০ জন আহত হয়। আফগান বাহিনী সেখান থেকে ৪০০ বিদেশীকে সরিয়ে নেয়। এই হামলার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে খালিলজাদ প্রেসিডেন্ট গনি ও প্রধান নির্বাহী আবদুল্লাহ আবদুল্লাকে চুক্তির খসড়া সম্পর্কে অবগত করেন।

আফগান সরকার যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে, তা আফগানিস্তানে নিযুক্ত সাবেক মার্কিন দূতদের কয়েকজনও প্রতিধ্বনিত করেছেন। এদের মধ্যে আছেন রিয়ান ক্রোকার, জেমস কানিংহাম ও জেমস বোডিন্স।

তারা তালেবানের সাথে সমঝোতায় আসা খসড়া চুক্তির তীব্র সমালোচনা করেছেন। তাদের মতে, এটি বর্তমান অবস্থার চেয়েও খারাপ হবে। এর ফলে আফগানিস্তানে আবার গৃহযুদ্ধ শুরু হয়ে যাবে।

এসএম