মৃত্যুদণ্ড পুনর্বহালের ঘোষণা দিয়ে ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতের্তে বলেছেন, দৈনিক পাঁচ থেকে ছয় অপরাধীকে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝুলানো হবে।

তবে দেশটির খ্রিস্টান নেতা ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো তার বক্তব্যের নিন্দা জানিয়েছে। খবর এএফপির।

ক্যাথলিক প্রধান দেশটিতে মাদক কারবারিদের দমনে মৃত্যুদণ্ড পুনর্বহাল আইনকে অগ্রাধিকার দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ৭১ বছর বয়সী দুতের্তে। শনিবার তিনি বলেন, ‘আগেও মৃত্যুদণ্ড ছিল; কিন্তু তাতে কাজ হয়নি। আমাকে সেটি ফিরিয়ে দাও। আমি প্রতিদিনই এটি করব, ৫ থেকে ৬ জনকে। এটি সত্যি।’

তবে ফিলিপাইনের প্রভাবশালী ক্যাথলিক নেতা ফাদার জেরোমি সেকিলানো দুতের্তের পরিকল্পনার বিরোধিতা করে বলেছেন যে এর ফলে ‘ ফিলিপাইনকে বর্বর হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এতে ফিলিপাইন হবে বিশ্বের মৃত্যুদণ্ডের রাজধানী।’ ফিলিপাইনের ৮০ ভাগ মানুষ ক্যাথলিক ধর্মবিশ্বাসী।

তাদের ঘোর বিরোধিতার মুখে ২০০৬ সালে দেশটিতে মৃত্যুদণ্ড রহিত করা হয়। তবে গত জুনে ক্ষমতা নেয়ার আগে দুতের্তে মৃত্যুদণ্ড পুনর্বহালের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তখন তিনি বলেছিলেন, অপরাধীদের দমনে বুলেটের অপচয় করা তিনি পছন্দ করেন। তার মতে, ফাঁসির দড়ি ফায়ারিং স্কয়াডের চেয়ে বেশি মানবিক।

দুতের্তে বলেছেন, মৃত্যুদণ্ডকে তিনি অপরাধ নিয়ন্ত্রণের উপায় হিসেবে দেখেন না, এটি হল প্রতিশোধ। জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান জেইদ রাদ আল হুসেন চলতি মাসে ফিলিপাইন কংগ্রেসের কাছে এক চিঠিতে বলেছেন, মৃত্যুদণ্ড পুনর্বহাল করা হলে তা হবে ফিলিপাইনের আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতার লংঘন। তবে দুতের্তে শনিবার বলেছেন, মাদক কারবারিরা দেশটিকে ধ্বংস করছে। তাদের দমনে মৃত্যুদণ্ড পুনর্বহাল দরকার।

মাহমুদ