হুথিদের দাবি অনুযায়ী, স্থানীয়ভাবে তৈরি ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য একটি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে সৌদি যুদ্ধবিমানটি ভূপাতিত করা হয়। তবে এ দাবির পক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো ধ্বংসাবশেষের ছবি বা অন্য কোনো প্রমাণ প্রকাশ করেনি তারা। সৌদি আরবও তাৎক্ষণিকভাবে যুদ্ধবিমান হারানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।

ইয়াহিয়া সারি এক বিবৃতিতে বলেন, মারিবের আকাশসীমায় সৌদি যুদ্ধবিমানটি তাদের সেনাদের অবস্থানকে সহায়তা করার উদ্দেশ্যে ‘শত্রুতামূলক অভিযান’ পরিচালনা করছিল। হুথিদের দাবি, এ সময় তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা যুদ্ধবিমানটিকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে।

স্থানীয় সূত্রের বরাতে আলজাজিরা জানিয়েছে, মারিবের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের হেলান পাহাড়ের কাছে যুদ্ধবিমানটি ধ্বংস হয়েছে বলে হুথিরা দাবি করেছে।

এর আগে গত কয়েকদিনে সৌদি আরব ও হুথিদের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট হুথিদের বিভিন্ন হামলার জবাবে কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

এদিকে ইরান-সমর্থিত হুথিদের মোকাবিলায় সৌদি আরব ইসরায়েলের সঙ্গে যোগাযোগ করছে বলে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার ‘ইসরায়েল হায়োম’ অজ্ঞাত কূটনৈতিক ও সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানায়, হুথিদের বিষয়ে গোয়েন্দা তথ্য পেতে ইসরায়েলের সহযোগিতা নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। এ যোগাযোগে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) মধ্যস্থতা করছে বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান এ বিষয়ে সেন্টকমের সহায়তা চেয়েছেন। তবে সৌদি আরব বা ইসরায়েলের পক্ষ থেকে এ দাবির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সাম্প্রতিক সময়ে হুথিরা সৌদি ভূখণ্ডে হামলা চালানোর পাশাপাশি ইয়েমেনের বিভিন্ন এলাকায় সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়েছে। একই সময়ে সৌদি আরবও হুথিদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান জোরদারের হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

সূত্র: আলজাজিরা

এস