ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় মোলুকাসের টার্নেট শহরে শক্তিশালী ৭ দশমিক ৩ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপসংস্থা ইউএসজিএসের বরাত দিয়ে বার্তাসংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, ইন্দোনেশিয়ার টার্নেটে রিখটার স্কেলে শক্তিশালী ৭ দশমিক ৩ মাত্রার ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে।
টার্নেট থেকে ১৬৮ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমের ১০ কিলোমিটার ভূগর্ভে এই ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয়েছে।
দেশটির পশ্চিম নুসা তেনগারা প্রদেশের সুম্বাওয়ায় ওই ভূমিকম্পটি আঘাত করেছে। সুম্বাওয়া ছাড়াও মাতারাম, বিমা ও ওয়েনগাপুসহ বেশ কয়েকটি শহরে কম্পন অনুভূত হয়েছে।
ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া, জলবায়ু ও জিওফিজিক্যাল সংস্থা (বিএমকেজি) জানিয়েছে, স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৩৯ মিনিটে সুম্বাওয়ার দক্ষিণপশ্চিমে ওই ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। তবে ভূমিকম্পটির তীব্রতা অনেক হলেও সেখানে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি বলে জানিয়েছে বিএমকেজি।
বিএমকেজি জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল সুম্বাওয়া থেকে ৮৮৪ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে। তারা বলছে, ওই ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার।
এদিকে তাৎক্ষণিকভাবে ওই ভূমিকম্পের পর কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে আরও দুটি ভূমিকম্প ইন্দোনেশিয়ায় আঘাত করেছে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম।
গত বছর দেশটির পালু প্রদেশের সুলাওসি দ্বীপে সাড়ে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাত ও সুনামির পর দুই হাজার ২০০ জনের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটে। নিখোঁজ হয় আরো কয়েকহাজার মানুষ।
২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর ৯ দশমিক ৩ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর সুনামি আঘাত হানে। এতে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটে। এরমধ্যে শুধুমাত্র ইন্দোনেশিয়ায় মারা যায় ১ লাখ ৭০ হাজার মানুষ।
এএস





