আমেরিকার শিক্ষাঙ্গনে আবারো ঘৃণ্য বর্ণবাদ জোরদার হচ্ছে বলে এক গবেষণায় জানা গেছে। শিক্ষাঙ্গনে বর্ণবাদ দূর করা সংক্রান্ত মার্কিন ফেডারেল সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়ের ৬০ বছর পর আবারো এ আশঙ্কা দেখা দিল। বৃহস্পতিবার আমেরিকার ইউসিএলএ বিশ্ববিদ্যালয়ে নাগরিক অধিকার বিষয়ক একটি গ্রুপের এক গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়েছে, আমেরিকার বেশিরভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আবারও বর্ণবাদ জোরদার হচ্ছে। যেমন, নিউইয়র্ক, ক্যালিফোর্নিয়া ও টেক্সাসের মত অঙ্গরাজ্যগুলোর অর্ধেকেরও বেশি ল্যাটিন-আমেরিকান বংশোদ্ভূত শিক্ষার্থীরা এমন সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশুনা করতে বাধ্য হচ্ছেন যেসব প্রতিষ্ঠানের ৯০ শতাংশ শিক্ষার্থীই হল ল্যাটিন-আমেরিকান। ইলিনয়েস, নিউইয়র্ক, ম্যারিল্যান্ড ও মিশিগান অঙ্গরাজ্যের কৃষ্ণাঙ্গরাও একই পরিস্থিতির শিকার। অথচ ৬০ বছর আগে ১৯৫৪ সালের ১৭ ই মে মার্কিন ফেডারেল সুপ্রিম কোর্টের 'ব্রাউন এগেইনস্ট বোর্ড অফ এডুকেশন' শীর্ষক মামলার রায়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে "পৃথক অথচ সমান বা বরাবর" নীতি বাতিল করা হয়। এর আগে আমেরিকার কৃষ্ণকায় বা কৃষ্ণাঙ্গ শিক্ষার্থীরা সেদেশের শ্বেতাঙ্গদের জন্য নির্ধারিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে পড়াশুনার অধিকার রাখতো না। কৃষ্ণাঙ্গ শিক্ষার্থীরা এমন সব অনুন্নত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশুনা করতো যেখানে থাকতো বিপুল সংখ্যক কৃষ্ণাঙ্গ ছাত্র। এইসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা হতেন অল্প-শিক্ষিত এবং শিক্ষার উপকরণও থাকত খুবই কম। অন্যদিকে কৃষ্ণাঙ্গরা চরম দারিদ্রের শিকার ছিল বলে শ্বেতাঙ্গদের তুলনায় তাদের মধ্যে শিক্ষার হারও ছিল কম, বিশেষ করে উচ্চ-শিক্ষা লাভের সুযোগ তাদের খুব কমই হত। অবশেষে বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ১৯৫৪ সালে এই বৈষম্যমূলক পরিস্থিতির অবসান ঘটে। কিন্তু সেই ঐতিহাসিক রায়ের ৬০ বছর পর একবিংশ শতকের দ্বিতীয় দশকে যখন একজন কৃষ্ণকায় আমেরিকান নাগরিক দেশটির প্রেসিডেন্ট পদে আসীন রয়েছেন তখন মার্কিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বর্ণবাদ আবারও ফিরে আসলো। মার্কিন শিক্ষা বিভাগের বেশিরভাগ কর্মকর্তারাই সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে কেবল বিশেষ বর্ণের শিক্ষার্থীদের ভর্তি করাকে গুরুত্ব বা প্রাধান্য দিচ্ছেন। অন্যদিকে শ্বেতাঙ্গ অভিভাবকরাও তাদের সন্তানদেরকে বহু বর্ণ-ভিত্তিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে নারাজ। আমেরিকার আবাসন বিভাগেও আবারও ফিরে এসেছে বর্ণবাদ। ফলে কৃষ্ণাঙ্গরা শহরের অভিজাত অঞ্চলে বসবাস করতে পারছেন না। তাই বড় বড় শহরগুলো ছাড়া ছোট ছোট শহরে বহু-বর্ণ-ভিত্তিক শিক্ষা-ব্যবস্থা চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। আর এইসব অবস্থা আমেরিকায় নাগরিকদের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে বৈষম্যসহ মানবাধিকারের শোচনীয় অবস্থাকেই তুলে ধরছে। অথচ দেশটির সরকার ভিন্ন দেশগুলোতে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার নামে অবৈধ হস্তক্ষেপ ও মোড়লীপনা চালিয়ে যাচ্ছে। সূত্র: আইআরআইবি [b]ঢাকা, ১৭ মে (টাইমনিউজিবিডি.কম) //এমএ[/b]
আমেরিকায় ফিরে আসছে বর্ণবাদ?
আমেরিকার শিক্ষাঙ্গনে আবারো ঘৃণ্য বর্ণবাদ জোরদার হচ্ছে বলে এক গবেষণায় জানা গেছে। শিক্ষাঙ্গনে বর্ণবাদ দূর করা সংক্রান্ত মার্কিন ফেডারেল সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়ের ৬০ বছর পর আবারো এ আশঙ্কা দেখা দিল।
দ্য গার্ডিয়ান হরমুজ প্রণালিকে ‘আমেরিকার ভূখণ্ড’ মনে করেন ট্রাম্প
হরমুজ প্রণালিকে ‘আমেরিকার ভূখণ্ড’ হিসেবে দেখেন বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ভারত-আমেরিকা কারও আধিপত্য মেনে নেব না : নাহিদ ইসলাম
জাতীয় নাগরিক কমিটির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য। এবার আমরা দুটি ভোট দিয়েছি, কিন্তু এখনো গণভোটের রায় বাস্তবায়িত হয়নি। আপনারা যারা প্রথমবার হ্যাঁ ভোট দিয়েছেন, আপনাদের এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। গণঅভ্যুত্থান হয়েছে সীমান্ত সুরক্ষা, স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি ও নদীর পানির ন্যায্য হিস্যার জন্য। আমরা কারোরই আধিপত্য মেনে নেব না—ভারতেরও না, আমেরিকারও না।
হরমুজ প্রণালি আমেরিকার খেলার মাঠ নয়: ইরানি সামরিক বাহিনী
ইরানের সামরিক সদর দপ্তর সতর্ক করেছে যে, সব বাণিজ্যিক জাহাজকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদে যাতায়াতের জন্য ইরানের নির্ধারিত সামুদ্রিক পথ ব্যবহার করতে হবে। অন্যথায় পরিণতি ভোগ করতে হবে। আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আমেরিকা-ইরান চুক্তি: মধ্যস্থতা করে বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত পাকিস্তান
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে তিন মাস ধরে চলা সংঘাতের অবসান, হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্তকরণ এবং ধুঁকতে থাকা বিশ্ব অর্থনীতিতে স্বস্তি ফেরাতে একটি যুগান্তকারী চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এ সমঝোতায় পৌঁছানোর ক্ষেত্রে পাকিস্তানের বলিষ্ঠ মধ্যস্থতা সোমবার বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। বিশ্বনেতারা এ ঐতিহাসিক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।
যেভাবে ধনী হচ্ছেন আমেরিকার অনেক মানুষ
১৯৯৪ সালে গ্রেগ ফ্লিন যখন বিখ্যাত স্ট্যানফোর্ড বিজনেস স্কুল থেকে পড়াশোনা শেষ করেন, তখন আমেরিকায় ‘ডটকম’ বা ইন্টারনেট বিপ্লবের জয়জয়কার। তার সহপাঠীরা সবাই বড় বড় করপোরেট সংস্থায় যোগ দিয়ে রাতারাতি কাগজে-কলমে ‘মিলিয়নিয়ার’ বনে যাচ্ছিলেন। কিন্তু ফ্লিন হাঁটলেন ভিন্ন পথে। এক বন্ধুর রেস্তোরাঁ ব্যবসায় সাহায্য করতে যোগ দিলেন তিনি। এর কয়েক বছর পর আমেরিকার ফ্র্যাঞ্চাইজি ব্যবস্থার দারুণ অর্থায়নের সুযোগ কাজে লাগিয়ে ফ্লিন নিজেই আটটি ‘অ্যাপলবিস’ রেস্তোরাঁ কিনে নেন।
















