ইউক্রেনে জার্মানির লেপার্ড-২ ও যুক্তরাষ্ট্রের এম-১ আব্রাম ট্যাংক পাঠানোর সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে মস্কো। বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, এই দুই ট্যাংক দেয়ার সিদ্ধান্তে যুদ্ধ আরও দীর্ঘ এবং বিস্তৃত হতে পারে। যার হুশিয়ারি রাশিয়া ইতোমধ্যে দিয়ে রেখেছে।
বুধবারই এক বিবৃতিতে সতর্ক করে জার্মানিতে অবস্থিত রাশিয়ার দূতাবাস। এতে, জার্মানির ট্যাংক পাঠানোর সিদ্ধান্তকে ‘চরম ভঙ্কংকর’ বলে উল্লেখ করে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জার্মানির এ সিদ্ধান্তে পারস্পারিক বিশ্বাস উঠে যেতে পারে, যা যুদ্ধকে আরও দীর্ঘ করতে ভুমিকা রাখবে।
এদিকে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, এটি রাশিয়ার বিরুদ্ধে ‘পরিকল্পিত যুদ্ধ’। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাকারিয়া এক টেলিগ্রাম পোস্টে এ কথা জানান।
বুধবার যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনের সেনাবহিনীকে সহায়তার জন্য ৩১টি এম-১ আব্রাম ট্যাংক পাঠানোর ঘোষনা দেয়। এর পরই জার্মানির পক্ষ থেকে ১৪টি লেপার্ড-২ ট্যাংক পাঠানোর কথা জানায়। একই সঙ্গে জার্মনি অন্যান্য দেশের হাতে থাকা লেপার্ড-২ ট্যাংক ইউক্রেনে পাঠানোর অনুমোদন দেয়।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এসব ট্যাংক পাঠানোয় যুদ্ধের মোড় ঘুরে যেতে পারে। ১৯৭৯ সালে জর্মানির প্রতিরক্ষামন্ত্রণালয়ের তৈরি শক্তিশালী লেপার্ড-ট্যাংক ভূমি থেকে ঘণ্টায় ৭২ কিলোমিটার বেগে ৫০০ কিলোমিটার দূরে গোলা নিক্ষেপ করতে পারে। অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি এম-১ আব্রাম ট্যাংক ৭২ কিলোমিটার বেগে ১০০৮ কিলোমিটার দূরে গোলাে নিক্ষেপ করতে পারে।
রাশিয়ার দখলে থাকা অঞ্চলগুলোর নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা কিছুটা চ্যালেঞ্জ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে জার্মানি বা যুক্তরাষ্ট্রের এসব ট্যাংক যুুদ্ধে কোনো প্রভাব ফেলতে পারবে না বলে সাফ জানিয়ে দেয় রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
এইচএম





